Image description

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের আগে হঠাৎ হোটেল বদলে ফেলেছে নরওয়ে দল। রুম ঠিকমতো পরিষ্কার না থাকা এবং পাশের নির্মাণকাজের কারণে সৃষ্ট বিরক্তি নিয়ে খেলোয়াড়দের অভিযোগের পরই এই সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

মায়ামিতে অবতরণ করে পুলিশি প্রহরায় ফোর্ট লডারডেলের "দ্য ডালমার" হোটেলে পৌঁছায় নরওয়ে, যা মায়ামির খুব কাছেই অবস্থিত। আর্লিং হলান্ড ও তার সতীর্থদের অভ্যর্থনা জানাতে সেখানে অপেক্ষা করছিলেন ফিফার কর্মীরা, হোটেল ম্যানেজার, প্রায় বিশজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং বেশ কিছু কৌতূহলী হোটেল অতিথি।

তবে নরওয়েকে আতিথ্য দেওয়ার এই উচ্ছ্বাস বেশিদিন টেকেনি। মাত্র একদিন পরই হোটেল বদলানোর সিদ্ধান্ত নেয় তারা। নরওয়েজীয় সংবাদমাধ্যম টিভি২.এনও সপ্তাহের শুরুতে হোটেলটি পরিদর্শন করে জানায়, হোটেলটি একটি অত্যন্ত ব্যস্ত সড়কের একদম পাশেই অবস্থিত। হোটেলের ঠিক বাইরেই ছিল একটি বড় নির্মাণস্থল, আর সৈকতে যেতে হলে প্রায় চার কিলোমিটার পথ হাঁটতে হতো।

দলীয় প্রধান ত্রুলস ডেইলি নরওয়েজীয় সম্প্রচার সংস্থা এনআরকে-কে জানান, শুরুর হোটেলে থাকার ব্যবস্থায় কিছু বিষয় তারা ভিন্নভাবে চেয়েছিলেন। তার মতে, এখন টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ সপ্তাহ চলছে এবং পুরো এক সপ্তাহ এই হোটেলেই থাকতে হবে। আর সামনের ম্যাচটি তাদের এখন পর্যন্ত খেলা সবচেয়ে বড় ম্যাচ। তাই এসব বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, এতদিন তারা মানসিক অস্থিরতা এড়াতে পেরেছেন, আর এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেই ঝুঁকি নিতে চাননি বলেই হোটেল পাল্টানো হয়েছে।

এনআরকে-র পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের জন্য বরাদ্দ করা বেশ কিছু রুমে ধোঁয়ার গন্ধ, ছত্রাক অথবা যথাযথ পরিচ্ছন্নতার অভাব ছিল। এই বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করে দাইলি বলেন, ‘মূল সমস্যাটি ছিল পুরো পরিবেশ নিয়ে। একান্তে থাকার প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও কীভাবে অন্যদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক দেখা হয়ে যাচ্ছিল, সেটি নিয়েই।‘