Image description

রান তাড়ার বিশ্ব রেকর্ডের চ্যালেঞ্জে নেমে বাবর আজম-শান মাসুদ কিছুটা প্রতিরোধ দেখলেও বিপজ্জনক হতে পারেননি। নাহিদ রানা, তাইজুল ইসলামদের তোপে এক সেশনে তিন উইকেট হারিয়েছে পাকিস্তান। প্রতিপক্ষকে রান তাড়ায় চেপে ধরে এখন জয়ের সুবাস পাচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

মঙ্গলবার সিলেট টেস্টের চা-বিরতি পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২০০ রান। দ্বিতীয় সেশনে ৯৯ রান তুলে ৩ উইকেট হারায় তারা। সালমান ২৫ ও রিজওয়ান ১৫ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন। পাকিস্তানের পড়া ৫ উইকেটের মধ্যে নাহিদ ও তাইজুল নিয়েছেন দুটি করে, বাকি উইকেটটি মিরাজের।

লাঞ্চ বিরতির পরও অনায়াসে খেলছিলেন বাবর-শান। তাদের জুটিতে অপেক্ষা বাড়ছিল বাংলাদেশের। লাঞ্চের আগে সাবলীল গতিতে রান আনা শান কিছুটা সতর্ক হলেও বাবর বাড়ান গতি। প্রায় ওয়ানডে গতিতে ফিফটির কাছে চলে যান তিনি।

এই দুজনের জুটি একশর রানে যাওয়ার আগেই আঘাত হানেন তাইজুল। বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনারের লেগ স্টাম্পের বাইরের বল ব্যাট লাগিয়ে লিটন দাসের দারুণ ক্যাচে পরিণত হন বাবর। ৫২ বলে ৪৭ রান করে চরম হতাশায় মাঠ ছাড়েন আগের ইনিংসে ফিফটি করা এই ব্যাটার।

শানের সঙ্গে পরে সাউদ শাকিল জুটির চেষ্টায় ছিলেন। কিন্তু থিতু হতেই বিদায় তাঁর। নাহিদ রানার অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বল তাড়া করে লিটনের ক্যাচে ফেরেন সাউদ, অহেতুক রিভিউও নষ্ট করে যান তিনি।

খানিক পরই পাকিস্তান অধিনায়ককে ড্রেসিংরুমের পথ দেখান তাইজুল। অবশ্য এই উইকেটে সমান অবদান ফরোয়ার্ড শর্ট-লেগের ফিল্ডার মাহমুদুল হাসান জয়ের। শানের আলতো ঠেলে দেওয়া বল দুরন্ত রিফ্লেক্সে মুঠোয় জমান জয়। ২ উইকেটে ১৩৩ থেকে ৫ উইকেটে ১৬২ রানে পরিণত হয় সফরকারী দল।

বাংলাদেশের জয় তখন স্রেফ সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।