তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে খর্বশক্তির নিউজিল্যান্ডের কাছে জীর্ণশীর্ণ ব্যাটিংয়ে হতাশার হার ঝাঁকুনি দিয়েছে বাংলাদেশ দলকে। শনিবার অনুশীলন ছিল না দুদলেরই। আগামীকাল দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ে ফিরতে না পারলে সিরিজ হাতছাড়া হবে স্বাগতিকদের। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ব্যাটিংয়ে উন্নতি করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।
বাংলাদেশের ওয়ানডে ব্যাটিংয়ের দুরবস্থা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে লিটন দাস, আফিফ হোসেন ও নাজমুল হোসেন শান্তদের নিষ্প্রভতায়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে লিটন ৪৬ রান করলেও এটিই শেষ ১৮ ইনিংসে তার সর্বোচ্চ স্কোর। ২০২৩ বিশ্বকাপের পর ওয়ানডেতে তিনি আর কোনো ফিফটি পাননি; এই সময়ে তার গড় মাত্র ১৮.৪৩। আফিফ হোসেনের অবস্থাও একই রকম হতাশাজনক। টানা ১৭ ইনিংসে কোনো ফিফটি নেই, গড় মাত্র ১৫.৪৬। প্রথম ম্যাচে ৪৯ বলে ২৯ রান করে তিনি ইনিংসের গতি থামিয়ে দেন। নাজমুল হোসেন শান্তও ব্যর্থতার মিছিলে হেঁটে চলেছেন। টানা ১৩ ইনিংসে কোনো হাফ সেঞ্চুরি নেই তার। গড় ১৪.৯২। গুরুত্বপূর্ণ তিন নম্বর পজিশনে ব্যাট করে তিনি দলের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছেন না।
তাওহিদ হৃদয় কিছুটা ধারাবাহিক হলেও বড় ইনিংস খেলতে পারছেন না। শেষ ১১ ইনিংসে পাঁচটি ফিফটি করলেও ৬০ পেরোতে পারেননি তিনি। তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান মাঝেমধ্যে ভালো করলেও ধারাবাহিকতা নেই। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও ব্যাট হাতে অবদান রাখতে পারছেন না।
সব মিলিয়ে, টপঅর্ডারের তিন ব্যাটারের নিদারুণ ব্যর্থতায় দলের জয়ের সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে। ব্যাটিংয়ের এই কুৎসিত দুর্বলতা বাংলাদেশের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। তবে নির্বাচক দলের সদস্যরা মনে করছেন যাদের ওপর আস্থা রাখা হয়েছে তাদের আরও সময় দেওয়া উচিত।