Image description

 মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর শ্রদ্ধা নিবেদনকে সাধুবাদ জানালেও সেটি যেন ‘লোক দেখানো’ না হয় এমন মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জামায়াতের এই উদ্যোগ ইতিবাচক রাজনীতির অংশ হলে তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে তা যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতা বা লোক দেখানো না হয়।

রাকিব বলেন, ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার জন্য আমরা জাতিগতভাবে ধিক্কার ও নিন্দা জানাই। তার ভাষায়, জাতির সংকটকালে জামায়াত বিরোধী অবস্থানে ছিল। তবে দলটি যদি অতীত থেকে সংশোধিত হয়ে থাকে এবং আজ শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকে, সেটিকে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবেই দেখতে চাই আমরা।

বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে বিরোধী দলকে অনেক সময় অবহিত করা হতো, কিন্তু বর্তমানে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে বিরোধী দলও সম্মানিত বোধ করছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের সহনশীল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে, বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গনে।

এর আগে রাত ১২টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষাশহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানান।

মহান ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনব্যাপী শ্রদ্ধা নিবেদন ও নানা কর্মসূচি পালন করছে।