ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠের নির্বাচনি জনসভা মঞ্চে উঠেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে মঞ্চে উঠলে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থক করতালির মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানান। তিনি হাত নেড়ে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।দাঁড়িপাল্লা-ঈগলের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষন দেবেন ইতিমধ্যে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। জনসভায় জেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে লোকসমাগম হয়েছে।
এর আগে পৌনে ১১টার দিকে আকাশপথে হেলিকপ্টার যোগে ভাষা শহীদ সালাম স্টেডিয়ামে অবতরণ করেন। মাঠের জনসমাগম সামাল দিতে এবং সবাইকে মঞ্চের দৃশ্য দেখানোর জন্য ৫টি এবং বিশাল পর্দা (এলইডি স্ক্রিন) টানানো হয়েছে।
জেলা আমির মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারী আবু তাহের মোহাম্মদ মাছুম ও মুহাম্মদ শাহজাহান, শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সহ-সভাপতি কবির আহমদ, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ জোটের কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ।
জেলা সেক্রেটারী মুহাম্মদ আবদুর রহীমের পরিচালনায় ফেনী-২ আসনের জামায়াত জোটের প্রার্থী এবিপার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন মানিক ছাড়াও বক্তব্য রাখেন জাগপা সভাপতি রাশেদ প্রধান, শ্রমিক কল্যাণের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি আতিকুর রহমান, সাবেক জেলা আমীর অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঞা ও একেএম শামসুদ্দিন, নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবু উউসুফ ও মাওলানা মাহমুদুল হক, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মোহাম্মদ আলী মিল্লাত, এনসিপির সংগঠক আজিজুর রহমান রিজভী, জামায়াতের জেলা ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরি পরিষদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, শহর সভাপতি ওমর ফারুক ও জেলা সভাপতি আবু হানিফ হেলাল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মুফতি আবদুল হান্নান জানান, এই জনসভা থেকে ডা. শফিকুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা দেবেন। এই নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করেই তৃণমূলের নেতাকর্মী সহ সর্বস্তরের জনগন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারী আ.ন.ম আবদুর রহীম জানান, জনসভায় আগতদের সুবিধার্থে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এলইডি স্ক্রীন স্থাপন করা হয়েছে।
জেলা সেক্রেটারী মুহাম্মদ আবদুর রহীম জানান, এই জনসভাটি হবে স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ সমাবেশ।
শহর আমীর নজরুল ইসলাম জানান, শান্তিপূর্ণ ও সফল করতে প্রশাসনের পাশাপাশি নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর বিশেষ নজরদারি রয়েছে।