বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আজকের এই মুর্হূতে বিশেষ করে মনে পড়ছে আমাদের বিপ্লবী সহযোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কথা। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জনগণের জীবন্ত কণ্ঠস্বর। তিনি নিজেই ছিলেন একটি বিপ্লব। তাকে কারা হত্যা করেছে সেটা জনগণ বোঝে। তার বিচার যদি জনগণ দেখতে পায় তাহলে জাতির জন্য জীবন উৎসর্গ করতে অনেকেই আগ্রহী হবেন।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার পর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পর জামায়াত আমিরের কাছে সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশ না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।
এ সময় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া করছেন, আমরা আশা করি তারা আমাদের সঙ্গেই থাকবেন।
১১ দলের পক্ষ থেকে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমাদ আব্দুর কাদের, জাগপার মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির আনোয়ারুল হক, সাবেক স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রমুখ।