Image description

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, জামায়াতের এখন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তাদের অত্যন্ত একটা উচ্চাভিলাষ তৈরি হয়েছে। এটা আমাদের সচেতন তরুণ প্রগতিশীল জনসমাজকে কিন্তু মাথায় রাখতে হবে। কারণ জামায়াতের উত্থান মানেই দেশকে একটা ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাওয়া এবং বাংলাদেশের অস্তিত্বকে একটা সংকটের মধ্যে ফেলা।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) পটুয়াখালী শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদানের পর সাংবাদিকদের দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বলেন, এখন তো আর সেই ফ্যাসিবাদ নেই। এখন একটি গণতান্ত্রিক সরকার, সবেমাত্র এ সাড়ে ছয় মাসের মতো দায়িত্ব পালন করছে। এখন এ সরকারের বিরুদ্ধে যদি লংমার্চ কিংবা এ ধরনের কর্মসূচি বিরোধী দল দেয়, তাহলে এর মাধ্যমে কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্টরা ফিরে আসার একটা সুযোগ পাবে।

নুরুল হক নুর বলেন, তাছাড়া এ যে দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে, এগুলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কেউ ঘটাচ্ছে কিনা, দেশি-বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা এর সাথে জড়িত কিনা, এই বিষয়টি সরকার দেখছে। কারণ আপনারা দেখেছেন, প্রধানমন্ত্রী যখন প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে চীন এবং মালয়েশিয়া সফর করেছিলেন, তখন কিন্তু একটা অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা হয়েছিল। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর চীন এবং মালয়েশিয়া সফরকে যারা ভালোভাবে নেয়নি।

তিনি বলেন, এরপর প্রধানমন্ত্রীর যে ইউএনজিএর একাশি তম অধিবেশনে যোগদান করলেন, যেখানে তিনি বিশ্বের বড় বড় নেতা, রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সাথে মিটিং করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ ভিজিট এটা বাংলাদেশের স্মরণকালের একটা সফলতা আমি মনে করি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের যখন অ্যাচিভমেন্ট, তখন এ যে দুর্বৃত্তরা, ফ্যাসিস্টরা এবং পতিত ফ্যাসিস্টদের সাথে যারা সুর মিলিয়ে বলছেন যে ডিসেম্বরে তারাও এই সরকারকে পতন করাতে চায়। একদিকে ফ্যাসিস্টরা বলছে, আবার অন্যদিকে এ যে বিরোধী দল যারা ফ্যাসিস্টদের মধ্যে গুপ্ত থেকে রাজনীতি করেছে, তারাও কিন্তু একই কথা বলছে। এখানে তাদের মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে কিনা এবং জামায়াতে ইসলাম অতীতে এই ধরনের কাজ করেছে। আওয়ামী লীগের সাথে মিলে তখন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে বলেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।