প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
মীর শাহে আলম বলেন, তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার। সেজন্য তিনি সিগনেচার কিছু প্রজেক্ট আপনাদের জন্য দিয়েছেন, সেটা হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড। ৪ কোটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে। কার্ডের জন্য কাউকে ঘুষ দেওয়ার দরকার নেই। এই কার্ড পর্যায়ক্রমে সবাই পাবে। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলির কার্ড পাবেন। এটি বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালে এ অঞ্চলের জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল। তারপরে অঞ্চলের মানুষ কোনো দুর্যোগ চোখে দেখেনি। আকস্মিক ভারী বর্ষণে বন্যা হওয়ার ফলে আপনারা অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। বাঁশখালী চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ, সরকার বিব্রত হয়েছিল, আমরা অস্থির হয়ে গিয়েছিলাম, হঠাৎ এই এলাকায় এত বড় বন্যা হয়ে গেল যা মোকাবিলা করার অভিজ্ঞতা এই এলাকার মানুষের ছিল না। জেলা প্রশাসন, সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে আপনাদের পাশে থাকার। সেই চেষ্টার মধ্যে যদি কোনো ভুল থাকে তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে আমি মন্ত্রী হিসেবে আপনাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের ইতিহাসে একটা নাম লিখতে যাচ্ছেন, তার বাবা ও মা জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দিয়েছেন। এখন তিনিও জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন। এই ইতিহাস ইতঃপূর্বে কেউ করতে পারেনি, বর্তমানে কেউ পারবে না, ভবিষ্যতেও কেউ পারবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। সেই দলের কর্মী আমরা।
এ সময় চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।