Image description

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর শাখার আহ্বায়ক কমিটি ঘোষনা করছে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচীব।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদস্য সচিব মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার স্বাক্ষরিত জেলা বিএনপির দলীয় প্যাডে এ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন তারা।

কমিটিতে মো: জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদারকে ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং শরিফুল ইসলাম তুহিনকে সদস্য সচিব (আংশিক) হিসেবে ঘোষনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, পৃথক আরেকটি প্যাডে মো: মাহবুবুর রহমান পলাশকে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এবং ইমরুল কায়েস সুমনকে সদস্য সচিব (আংশিক) হিসেবে ঘোষনা দেওয়া হয়েছে।

চলতি মাসের ১৬ তারিখে স্বাক্ষরিত ঘোষনা পত্রটি গতরাতে (২২ আগস্ট) প্রকাশ করেছে জেলা বিএনপির ফেসবুক পেজে। তবে কমিটির ঘোষনা পত্রটি প্রকাশের পরপরই এ নিয়ে রাজনীতি পাড়ায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।

পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু সদ্য অনুমোদিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির এ কমিটি নিয়ে তার ফেসবুক আইডিতে এক অদ্ভুত স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

তিনি তার ফেসবুকে লিখেছেন, এতদিন যে পদ্ধতিতে খেলেছি সেটা আর চলবে না। এবার ইউরোপিয়ান স্টাইলে অলআউট খেলা হবে।  হয় ছক্কা, না হয় ফক্কা। এতে তিনি তার অনুসারী নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার কথাও বলেছেন।

তবে দীর্ঘদিন পর উপজেলা ও পৌর বিএনপির কমিটিতে একটি মাত্র গ্রুপকে প্রাধান্য দেওয়াটা সাংঘর্ষিক হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লষক।

বিএনপি

তারা বলছেন, দলকে সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে কমিটিতে সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিলো। এখনো পর‌্যন্ত যতটুকু ঘোষনা হয়েছে আমরা সেটা খুঁজে পাইনি। তবে কমিটি যাচাই বাছাই নিয়ে যারা কাজ করছেন তারা দলের কার‌্যক্রমে গতি ফিরিয়ে আনতে সমতার বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলেও তারা প্রত্যাশা করেন।

উল্লেখ্য,ঈশ্বরদীস্থ বিএনপির রাজনীতি দুইটি গ্রুপে বিভক্ত রয়েছে। একটি পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব গ্রুপ। অপরটি পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু গ্রুপ। গ্রুপ দুটিতে দীর্ঘদিনের রাজনৈকিত টানা পোড়েন চলতে থাকলেও গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্রপ্রার্তী হিসেবে নির্বাচন করায় হাবিবুর রহমান হাবিব পরাজিত হয়েছেন দাবিতে এই টানাপোড়ন আরও দৃঢ় হয়েছে।

তবে বর্তমানে উপজেলা ও পৌর কমিটি নিয়ে এই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘাতের সর্বাচ্চ সম্ভাবনা  রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা।