Image description

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। নতুন কমিটি ঘোষণা ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। গত কয়েকটি কমিটিতে ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের বয়স নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এটি শুধু সংগঠনটির ভেতরেই নয়, বরং ছাত্ররাজনীতি এবং কখনো কখনো জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। আসন্ন কমিটিতে বয়সের বিতর্ক এড়াতে হাইকমান্ডের দিকে তাকিয়ে ছাত্রদল।

জানা গেছে, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির বর্তমান সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং নতুন কমিটিতে আলোচনায় আসতে পারেনÑ এমন নেতাদের অস্বাভাবিক

বয়স নিয়ে ইতোমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ছাত্রদের নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের বয়সের সঙ্গে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের বয়সের বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে বিগত অনেক কমিটিতে। ধারাবাহিকভাবে এমনটা হয়ে আসায় এই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নতুন কমিটি ঘোষণা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, সেই মুহূর্তে এই সমালোচনা তুঙ্গে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিনিয়ত ট্রলের শিকার হচ্ছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকে।

গত বছরের জুনে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম পরস্পরের বয়স ইস্যুতে বাকযুদ্ধে জড়িয়ে নতুন করে এই বিতর্ককে উসকে দেন। তখন এই বিতর্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পরে আবারও মূলধারার গণমাধ্যমে উঠে আসে।

জানা গেছে, ছাত্রদলের এখনো গঠনতন্ত্র চূড়ান্ত হয়নি। খসড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সংগঠনটির দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে বয়সের ধরাবাধা কোনো নিয়ম নেই। তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, অনূর্ধ্ব ২৭ বছর বয়সি যে কোনো ছাত্র তাদের প্রাথমিক সদস্য হতে পারবেন। ১৯৯২ সালে প্রথম ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দেওয়ার বয়স ২৭ বছর নির্ধারণ করা হয়। যদিও এরপর থেকে আর সেটি মানা হয়নি। এমনকি মৌখিকভাবে একাধিকবার বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে কখনো ২৯, আবার আবার কখনো ত্রিশোর্ধ্ব নেতাদের দিয়ে কমিটি গঠনেরও উদাহরণ রয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের।

বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক সূত্র জানায়, নতুন কমিটিতে যারা আলোচনায় রয়েছেন, তাদের অনেকের বয়স ৩২ বছরের বেশি। এদের মধ্যে এমন নেতাও রয়েছেন, যাদের বয়স কয়েক বছর আগে ৩৫ বছর পেরিয়ে গেছে। তবে বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ২৬ বছর বয়‌সে সংস‌দে চ‌লে যাওয়ার নজির তৈরি হয়েছে। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সও ৩২ বছর, সেখানে নতুন নেতৃত্বের বয়স ৩০ বছর হলেও ঠিক আছে। কিন্তু ১৯-২০ বছর বয়সে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করা শিক্ষার্থীদের কাছে ৩৫-৪০ বছরের নেতৃত্ব বেমানান।

সবচেয়ে বেশি বয়স ছাত্রদল নেতাদের, কম ছাত্রশক্তির

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বর্তমানে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে ছাত্রদলের বাইরে কেবল সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের বয়স ৩৫-৩৭ বছরের মধ্যে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১০-১১ সেশনের ছাত্র ও ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকীর বয়স ৩৫ বছরের কাছাকাছি। আর সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৮-০৯ সেশনের শিক্ষার্থী রাফিকুজ্জামান ফরিদের বয়স আনুমানিক ৩৭ বছর। এছাড়া বাকি ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতাদের বয়স ২৫-৩০ বছরের মধ্যে। তবে সবচেয়ে কম বয়সে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন এনসিপির সহযোগী সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১ মার্চ রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি এবং নাছির উদ্দীন নাছিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। রাকিব ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষের ফজলুল হক মুসলিম হলের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এবং নাছির ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষের স্যার এ এফ রহমান হলের ইসলামিক স্টাডিজের ছাত্র। তাদের দুজনের ঢাবিতে ভর্তি হওয়ার সেশন আলাদা হলেও বয়স একেবারেই কাছাকাছি। এর মধ্যে রাকিবের জন্ম ১৯৮৮ সালের ২০ জানুয়ারি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায়। সে হিসাবে তার বর্তমান বয়স প্রায় সাড়ে ৩৮ বছর। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক নাছিরের জন্ম ১৯৮৮ সালের ১ জানুয়ারি নোয়াখালীর সুবর্ণচরে। সে হিসাবে তার বর্তমান বয়সও সাড়ে ৩৮ বছর।

জানা গেছে, রাকিব ঢাবিতে তার ছাত্রজীবনের শুরুতে রাজনীতিতে যুক্ত হন। সে হিসাবে ছাত্ররাজনীতিতেই তার কেটে গেছে প্রায় ১৯ বছর। অন্যদিকে সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক নাছির বলেছেন, ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত আছেন। সমালোচকদের মতে, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কাছাকাছি সময়ে যাদের জন্ম, তারাও এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন এবং রাজনীতিতে যুক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে জাতীয় ছাত্রশক্তিসহ অন্যান্য সংগঠনগুলোর দিকে তাকালে সেটিই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসানের জন্ম ২০০০ সালের ১ সেপ্টেম্বর। সে হিসাবে তার বর্তমান বয়স প্রায় ২৬ বছর। আর সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার ঢাবির ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী। সে হিসাবে তার বয়সও ২৬ বছরের আশপাশে।

অন্যদিকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। সে হিসাবে তার বয়স ৩০-৩১ বছর। আর সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা ঢাবির ২০১৩-২০১৪ সেশনের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছিলেন। সেই বিবেচনায় তার বয়স ৩২ বছরের কাছাকাছি।

ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাজমুল হাসান ১৯৯৮ সালের ২৯ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তার বয়স ২৭ বছর সাত মাস। আর ১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ হকের বয়স ২৭ বছর ৯ মাস। এ ছাড়া বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজার সেশন ২০১৫-১৬ এবং বর্তমান বয়স প্রায় ২৮ বছর। আর একই সেশনের ছাত্র ও সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন শুভর বয়সও ২৮ বছরের কাছাকাছি।

নিয়মিত শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আনার দাবি

ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে আলোচনায় রয়েছেন এমন কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন হল কমিটির একাধিক নেতা আমার দেশকে বলেন, যে বয়সে বিএনপিসহ অন্যান্য সংগঠনের যুক্ত হওয়ার কথাÑ সেই বয়সে শীর্ষনেতাদের ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত থাকার ফলে একদিকে যেমন নেতৃত্ব জট তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে যুগের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব না দেওয়ায় সংগঠনের প্রতি শিক্ষার্থীদের নেতিবাচক মনোভাবও তৈরি হচ্ছে।

তাদের দাবি, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যার বড় অংশই তরুণ। তাদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্বের সুযোগ দিতে হবে। একই মুখ ও একই ব্যক্তি দীর্ঘদিন সংগঠনে থাকলে সাংগঠনিক গতিশীলতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ কারণে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্রে বয়সসীমা ও ছাত্রত্বের বিষয়টি আরো স্পষ্ট ও কঠোরভাবে নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া ছাত্রদল থেকে যুবদল ও বিএনপির মূল রাজনীতিতে যাওয়ার একটি সুস্পষ্ট কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন দীর্ঘদিন ছাত্রসংগঠনে আটকে থাকার প্রবণতা কমবে, তেমনি নির্দিষ্ট সময় পর নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে উঠলে সংগঠন আরো প্রাণবন্ত হবে। এ কারণে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে ছাত্রদলের গঠনতন্ত্রে বয়সের নির্দিষ্ট সীমারেখা টানা জরুরি। তবে বয়সের বিতর্ক এড়াতে দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে মনে করেন তারা।

অভিজ্ঞদের হাতে দায়িত্বের দাবি

ছাত্রদলের নতুন কমিটির পদ-প্রত্যাশীদের একটা বড় অংশের দাবিÑ সংগঠনের মর্যাদা ও নেতৃত্বের ভারসাম্য বজায় রাখতে তুলনামূলক অভিজ্ঞদের হাতে সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে, ছাত্রদলের মতো বিশাল সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু বয়সকে একমাত্র মানদণ্ড বিবেচনা করা সঠিক হবে না। বরং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, কর্মী বাহিনী পরিচালনার দক্ষতা ও দূরদর্শিতা না থাকলে কেবল নিয়মিত শিক্ষার্থীদের দিয়ে কমিটি দিলে সেটি সংগঠনের জন্য বুমেরাংও হতে পারে। এ ছাড়া বয়সের কড়াকড়িতে সুসময়ে দলের মধ্যে ঢুকে পড়াদের কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ পদে চলে আসতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় একজন সহ-সভাপতি এ বিষয়ে আমার দেশকে বলেন, একজন নেতার সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং সর্বোপরি কর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর আগে নির্ধারিত সময়ে কমিটি না হওয়ায় সংগঠনে একটি নেতৃত্ব জট তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, গঠনতন্ত্রে বয়সের বিষয়টি না থাকা এবং হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে নেতাদের একটা বড় অংশের ঝরেপড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে কারণে আরো একাধিক কমিটি সংগঠনের সিনিয়র এবং বিগত সময়ে রাজপথের পরীক্ষিত নেতাদের থেকে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। সেই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে কমিটি ঘোষণার মাধ্যমে নেতৃত্বের প্রবাহ সচল রাখার আহ্বান জানান তারা।

কী বলছেন ছাত্রনেতারা

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাবির একটি হলের আহ্বায়ক আমার দেশকে বলেন, এখনো পর্যন্ত গঠনতন্ত্রে বয়সের ব্যাপারে কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন আনা হয়নি। এ কারণে আমরা দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত জানতে পারিনি। তবে যাদের এখনো ছাত্রত্ব আছেÑ এমন নিয়মিত শিক্ষার্থীদের দিয়ে ঢাবির কমিটি হবে বলে আমার বিশ্বাস।

ওই ছাত্রনেতা আরো বলেন, আমার মনে হয়, আওয়ামী লীগের আমল থেকে গত ১৭ বছর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তথা দেশে স্বাভাবিক অবস্থা ছিল না। এখন যেহেতু দেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে, সুতরাং আমার মনে হয় বয়সের একটা সীমারেখা টানা উচিত। খুব সম্ভবত এবারই বয়সের সীমা দিয়ে দেবে আমাদের দল।

ঢাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান আমার দেশকে বলেন, আমাদের সংগঠন একটা দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আজকের অবস্থায় পৌঁছেছে। আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান দেশে আছেন, রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কাছে সব ধরনের রিপোর্ট যাবে। সেই আলোকে তিনি যেটা ভালো মনে করবেন, সেই অনুযায়ী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি হবে। সে ক্ষেত্রে আমাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছা কোনোটার ওপর নির্ভর করছে না।

আবিদ আরো বলেন, বর্তমান জেনারেশনের প্রয়োজনে যেটিকে দিয়ে ছাত্রদলের রাজনীতিকে পুনরুত্থান করানো যাবে, দলের আদর্শ ও বার্তা আরো ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে দেওয়া যাবেÑ সেভাবেই কমিটি হবে বলে আশা করি।

সার্বিক বিষয়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আমার দেশকে বলেন, ছাত্রদলের আসন্ন কমিটির ক্ষেত্রে বয়সের ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সাংগঠনিক অভিভাবক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমাদের গঠনতন্ত্রে যেটা আছে, তাতে এখনো পর্যন্ত বয়সসীমার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কিছু আসেনি।