Image description

সিরাজগঞ্জ জেলা শাখাসহ চারটি ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত’ ছাত্রলীগ। শনিবার (১৬ মে) রাত পৌনে ১০টার দিকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে সংগঠনটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন ঘোষিত চার ইউনিটগুলোর মধ্যে সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আওতাধীন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা, সিরাজগঞ্জ পৌর ও সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এসব প্রত্যেক কমিটিই আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার ৮৮ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে রবিউল ইসলাম রুবেলকে সভাপতি ও আল-আমিন খানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এতে সহ-সভাপতি পদে রয়েছে ৫৯ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ১১ জন ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে স্থান পেয়েছে ১৪ জন। এছাড়া একজন করে প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক করা হয়।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের ৬ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে রেজাউল করিম রাব্বিকে সভাপতি ও রাসেল সেখ আলীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এতে মিজানুর রহমান সম্রাটকে সহ-সভাপতি, রেদুয়ান রাফিকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দুজনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের ২৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে শিপন আহসান কাব্যকে সভাপতি ও আলামিন সরকার হিমেলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এতে ১০ জনকে সহ-সভাপতি, ৭ জনকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ৬ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়।

আর সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ২২ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে জীবন সেখকে সভাপতি ও জিম আহম্মেদ আকাশকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে সহ-সভাপতি পদে ৮ জন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৬ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এদিকে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেরাজুল ইসলাম সেরাজ জাগো নিউজকে বলেন, ওই সংগঠনটি নিষিদ্ধ এবং তাদের নেতৃত্বও পলাতক। তারা শিক্ষার্থীদের থেকেও সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। এমতাবস্থায় কমিটি ঘোষণা নিছকই হাস্যকর ও বাস্তবতা বিবর্জিত। আমরা তাদের এই কমিটি ঘোষণাকে কোনো গুরুত্ব দিচ্ছি না। তারা মূলত অনলাইন বা ফেসবুকে কমিটি ঘোষণার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। এসব কর্মকাণ্ড এদেশের মানুষ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।