Image description

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন মেরুকরণের আভাস জামায়াত-এনসিপির। এখন পর্যন্ত এককভাবে সব প্রস্তুতি চললেও শেষ সময়ে জোটের বৃহত্তর স্বার্থে কিছু জায়গায় সমঝোতা হলেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন। তবে নামকাওয়াস্তে কোনো সমঝোতা হলে তা মেনে নেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন এনসিপির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সারজিস আলম।

 

জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার সমীকরণ মাথায় রেখেই স্থানীয় নির্বাচনের কৌশল নির্ধারণ করছে এনসিপি।

এরই মধ্যে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশ হিসেবে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি। দক্ষিণে আসিফ মাহমুদ এবং উত্তরে আরিফুল ইসলাম আদিবকে প্রার্থী করা হয়েছে। তবে সিটি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থীরা মাঠে থাকলে এনসিপি কতটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে এমন প্রশ্নের জবাব দেন দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সারজিস আলম।

তিনি বলেন, কিছু জায়গায় দল কঠোর অবস্থানে থাকবে। জোটগতভাবে করতে হলে সিটি কর্পোরেশন ও উপজেলাগুলোতে কিছু ছাড় দিতে হতে পারে, যা দলীয় নীতির ওপর নির্ভর করবে। তিনি আরও জানান, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ঢাকা দক্ষিণে দলের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সেখানে দলীয়ভাবে শক্ত অবস্থান থাকবে।

অন্যদিকে, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, তারা এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিয়েই এগোচ্ছেন এবং সেই অনুযায়ী প্রার্থীও ঘোষণা করা হচ্ছে। সারাদেশে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নির্বাচনের জন্য কারা অংশ নেবেন তা নির্ধারণে একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে যদি কোনো বোঝাপড়ার জায়গা তৈরি হয় এবং ১১ দলের মতো জোটগতভাবে অংশ নেয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তবে তারা আলোচনায় উন্মুক্ত আছেন। তবে এককভাবে অংশ নেয়ার প্রস্তুতিও সমানভাবে চলমান রয়েছে।

শিগগিরই দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনে এনসিপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে বলেও দলটির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন।