ভোটের আগে রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরের সঙ্গে জোট-সমঝোতা করে ক্ষমতার দৌড়ে এগিয়ে থাকার চেষ্টা করবে—এটি ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে খুবই সাধারণ একটি বাস্তবতা। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে এনসিপি ও জামায়াত যে জোট গঠন করেছে, তা নির্বাচনকালীন ভোটের হিসাব-নিকাশে একটি নতুন সংযোজন। তবে কেবল জোট গঠনের ঘটনাই নয়; বরং জোট গঠনের আগের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং জোট গঠনের পরপরই যে প্রতিক্রিয়াগুলো তৈরি হয়েছে, সেগুলো এই জোটকে নতুনভাবে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
জোটটি গঠনের পর থেকে একটি ত্রিমুখী প্রতিক্রিয়ার বলয় তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এনসিপির ভেতর থেকেই প্রায় ৩০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এই জোটের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছেন। শুধু অবস্থান নেওয়াই নয়; বরং বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা দল থেকে পদত্যাগও করেছেন। কারণ, তাঁরা এনসিপির সঙ্গে জামায়াতের জোটকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি। এই অভ্যন্তরীণ বিরোধ এনসিপির সাংগঠনিক ঐক্য নিয়েও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যদিও এনসিপির মতে, এই মতবিরোধ দলটির অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক চর্চার একটি প্রক্রিয়া।
অন্যদিকে এনসিপি এই জোটে অংশ নেওয়ার পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটের নানা বিষয়ে প্রকাশ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। এমনকি গুঞ্জন উঠেছে, তারা এই জোট থেকে বের হয়ে যেতে পারে। এরই মধ্যে তারা ২৭২টি আসনে নিজেদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে, যা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে তারা জোটের ভেতরে আসনবণ্টন নিয়ে শক্ত অবস্থান থেকে দর–কষাকষি করতে চায় কিংবা এককভাবে নির্বাচন করে নিজেদের রাজনৈতিক সক্ষমতা আলাদাভাবে প্রমাণ করতে আগ্রহী।
অপর দিকে জামায়াত তার বেশ কিছু সম্ভাবনাময় ও শক্তিশালী আসন এনসিপি এবং এই জোটের অন্যান্য শরিককে ছেড়ে দিয়েছে। এর ফলে জামায়াতের ভেতরেও একধরনের অসন্তোষ ও ক্ষোভের প্রকাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। সেখানে লক্ষ করা যাচ্ছে যে দলের কিছু সমর্থক ও কর্মী এই দলীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন না; বরং তাঁরা এনসিপির সঙ্গে জোটে যাওয়াকে এবং সম্ভাবনাময় আসনগুলো ছেড়ে দেওয়াকে একটি ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করছেন।
সব মিলিয়ে বলা যায়, এই জোট একটি সাধারণ নির্বাচনকালীন জোটের চেয়েও অনেক বেশি আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, যা আগামী দিনে দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে—সেই প্রশ্ন এখনো খোলা রয়ে গেছে।
এনসিপি কেন জামায়াতের জোটেই
রাজনীতিতে জোট গঠিত হয় মূলত অধিকাংশ আসনে জয় লাভ করে ক্ষমতায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে। সেই সূত্র ধরে এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে জোট করার আগে বিএনপির সঙ্গে জোট করার চেষ্টা চালিয়েছিল বলে গুঞ্জন শোনা যায়। তবে বিএনপির সঙ্গে আসন–সমঝোতা না হওয়া এবং তাদের চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার পরই এনসিপি শেষ পর্যন্ত জামায়াতের দিকে ঝুঁকেছে। অর্থাৎ বলা যেতে পারে, বিএনপির সঙ্গে জোট গঠনের সর্বশেষ দরজাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরই এনসিপি জামায়াতের দিকে মুখ ফেরায়।
যদিও এনসিপি দাবি করছে যে সংস্কার প্রশ্নে জামায়াত তাদের অবস্থানের অনেকটাই কাছাকাছি, সে জন্যই তারা জামায়াতের সঙ্গে জোট করতে আগ্রহী হয়েছে। তবে বাস্তবে জোট গঠনের প্রক্রিয়ার আগে এনসিপির নেতাদের সংস্কার বিষয়ে জামায়াতের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গেছে। এই অবস্থান থেকে স্বভাবত প্রশ্ন আসে, জামায়াতের সঙ্গে এই জোটের উদ্দেশ্য কি মূলত সংস্কার, নাকি এটি ভোটের সমীকরণ কষার একটি প্রয়াসমাত্র, যেখানে জোটটির বৃহৎ কোনো আদর্শিক বা দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক স্বার্থ মুখ্য বিষয় নয়; বরং এটি একটি নির্বাচনকালীন পরিস্থিতিনির্ভর ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত।
তবে প্রথম দিকে এনসিপি তরুণদের মাঝে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের স্বপ্ন দেখানোর চেষ্টা করেছিল। জামায়াত বা বিএনপির বলয়ের বাইরে থেকে একটি তৃতীয় শক্তি হিসেবে নির্বাচনের মাঠে আবির্ভূত হওয়ার প্রত্যয় তাদের নেতাদের পক্ষ থেকে প্রায়ই শোনা গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এনসিপি এককভাবে নির্বাচন করার ঘোষণা দেয় এবং ১ হাজার ৪৮৪টি মনোনয়ন ফরমও বিক্রি করে। কিন্তু সেই অবস্থান খুব বেশি দিন ধরে রাখতে পারেনি দলটি। খুব দ্রুতই তারা নির্বাচনসঙ্গী খোঁজায় তৎপর হয়ে ওঠে, যার পেছনে মূলত দুটি কারণ কাজ করেছে বলে ধারণা করা যায়।
প্রথমত, দেশের সাধারণ নির্বাচনব্যবস্থা অত্যন্ত জটিল এবং এখানে পেশিশক্তির ব্যবহার ও তা মোকাবিলার বাস্তবতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিভিন্ন জরিপের আলোকে এনসিপির জনসমর্থন থাকলেও অনেক জায়গায় তাদের নিবেদিত কর্মী বাহিনী এখনো নির্বাচনী সময়ের চাপ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা মোকাবিলা করার মতো সংগঠিত হয়ে উঠতে পারেনি। ফলে তাদের এমন একটি রাজনৈতিক সঙ্গীর প্রয়োজন ছিল, যারা মাঠপর্যায়ে এ ধরনের সহযোগিতা দিতে সক্ষম।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও শহীদ শরিফ ওসমান হাদির ঘটনাটি উল্লেখ করে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তাহীনতা ও সহিংসতার বিষয়টি স্পষ্ট করেন এবং তা যে জোট গঠনের ক্ষেত্রে অন্যতম নির্ধারক হিসেবে কাজ করেছে, সেটিও উল্লেখ করেন। ফলে এই পটভূমিতে জামায়াত এনসিপির জন্য একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে সামনে আসে।
দ্বিতীয় যে কারণটি রয়েছে, তা হলো ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোর ফলাফল। এসব নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে নির্বাচন করে তেমন কোনো ভালো ফল অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। ফলে এনসিপি হয়তো উপলব্ধি করেছে যে তাদের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বেশ কিছু জনসমর্থন থাকলেও তা নির্বাচনে জয়লাভের ক্ষেত্রে ততটা কার্যকরী না–ও হতে পারে। ফলে একটি জোটে গেলে জোটের ভোট ও নিজেদের সমর্থকদের ভোট মিলিয়ে বেশ কিছু আসনে তারা জয়ের প্রত্যাশা করতে পারে।

জোট গঠন: জামায়াত কি সুবিধা পাবে
সাম্প্রতিক সব জরিপেই দেখা যাচ্ছে যে বিএনপির ভোটব্যাংক জামায়াতের তুলনায় বেশ খানিকটা এগিয়ে রয়েছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে জামায়াত এককভাবে এগোনোর পরিবর্তে জোট গঠনের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় করার চেষ্টা করেছে। ফলে জোট গঠনের প্রয়াসকে জামায়াত নির্বাচনে বিএনপির বিপক্ষে একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ তৈরি করার কৌশল হিসেবে গ্রহণ করেছে।
যেহেতু জামায়াত একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল এবং মুক্তিযুদ্ধে তাদের ভূমিকা নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে, সে কারণে দলটি এমন একটি জোটকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে, যেখানে বৈচিত্র্যের মাধ্যমে তাদের অবস্থানকে তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যায়। সেই পটভূমিতে জামায়াত তাদের জোটে কর্নেল অলি আহমদের এলডিপিকে সংযুক্ত করেছে, যাতে মুক্তিযুদ্ধ-সম্পর্কিত ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট ও গ্রহণযোগ্যভাবে তুলে ধরা সম্ভব হয়। পাশাপাশি তরুণ ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে তারা এনসিপিকেও এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
অন্যদিকে যাঁরা ইসলামকে পছন্দ করেন কিংবা ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন, সে ধরনের ভোটারদের একত্র করার লক্ষ্যে তারা ইসলামি দলগুলোকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেছে। এই জোটকাঠামোর মাধ্যমে জামায়াত মূলত ইসলামী ভোটব্যাংককে এক ছাতার নিচে আনার কৌশল গ্রহণ করেছে, যাতে ভোট বিভাজন কমিয়ে একটি সম্মিলিত শক্তি তৈরি করা যায়।
সব মিলিয়ে এটুকু স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে জামায়াত তাদের রাজনৈতিক যেসব জায়গায় অপূর্ণতা অনুভব করছে, সেগুলো পূরণ করার লক্ষ্যেই এই জোটে তিনটি ভিন্ন ধারার রাজনৈতিক দলকে একত্র করার চেষ্টা করেছে। অর্থাৎ আদর্শিক, প্রজন্মভিত্তিক ও সাংগঠনিক—এই তিন দিক থেকেই নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার একটি প্রচেষ্টা এই জোটের মাধ্যমে দৃশ্যমান।
চ্যালেঞ্জ
এই জোটে জামায়াত ও এনসিপি—উভয় দলেরই কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হতে পারে এনসিপিকেই। জামায়াতের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য যে চ্যালেঞ্জটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো তাদের কিছু সম্ভাবনাময় আসন এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া। যদি এনসিপি সেই আসনগুলোয় ভালো ফল করতে না পারে, তাহলে জোট হিসেবে জামায়াতের ক্ষমতার কাছাকাছি যাওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে জামায়াত নিজেকে নতুন করে শক্তিশালী করার যে সুযোগ পেয়েছিল, সেই প্রক্রিয়াতেও একটি ব্যত্যয় ঘটার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
তবে বড় চ্যালেঞ্জগুলো মূলত এনসিপিকেই ঘিরে। এনসিপি শুরু থেকেই নিজেকে একটি সম্পূর্ণ নতুন রাজনৈতিক অবয়বে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে। তাদের রাজনীতির ভাষ্য মূলত এমন একটি জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে তৈরি হয়েছে, যারা সেকুলার রাজনীতিকে পছন্দ করে, কিংবা ধর্মভিত্তিক রাজনীতির প্রতি কিছুটা অনাগ্রহী, অথবা প্রচলিত ও গতানুগতিক রাজনৈতিক ধারার বিপরীতে ভিন্ন ধরনের রাজনীতির স্বপ্ন দেখে। এই শ্রেণির ভোটারদের কাছে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ার ফলে এনসিপির আবেদন কিছুটা কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
তবে অন্যদিকে বাস্তবতা হলো, যদি এনসিপি এই জোটে না যেত এবং এককভাবে নির্বাচন করে ৩০০ আসনের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন অর্জন করতে না পারত, কিংবা পর্যাপ্ত ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হতো, তাহলে দল হিসেবে নিজেদের টিকিয়ে রাখাই তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়তে পারত। সেই বিবেচনা থেকেই এনসিপি রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সমঝোতা করে জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা করা যায়।
এনসিপির জন্য দ্বিতীয় যে বড় চ্যালেঞ্জটি রয়ে গেছে, তা হলো সারা দেশে সাংগঠনিক বিস্তারের সুযোগ হারানো এবং তৃতীয় বা বিকল্প শক্তি নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার যে প্রয়াস ছিল, সেখান থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়ে আসা, যার ফলে দলের অভ্যন্তরে স্থায়ী বিভাজন বয়ে বেড়ানো। এই নির্বাচনে তারা কিছু নির্দিষ্ট আসনে নির্বাচন করছে, যেখানে হয়তো তাদের সাংগঠনিক ভিত্তি কিছুটা শক্তিশালী হতে পারে। কিন্তু দেশব্যাপী একটি বিস্তৃত ও শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার যে সুযোগ একটি জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তৈরি হয়, সেই সুযোগ থেকে তারা অনেকটাই বঞ্চিত হয়েছে।
যদি এনসিপি ৩০০ আসনেই মনোনয়ন দিত, তাহলে অধিকাংশ আসনে জয়ী না হলেও সারা দেশে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে উঠত, যা ভবিষ্যতের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কিংবা পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনগুলোয় তাদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারত। জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্তের ফলে সেই সম্ভাবনা আপাতত সীমিত হয়ে গেছে।
আওয়ামী লীগবিহীন এই নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির গঠিত জোট বিএনপিকে কতটা কঠিন চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে, তার চূড়ান্ত উত্তর জানতে আমাদের আগামী নির্বাচন পর্যন্তই অপেক্ষা করতে হবে। তবে এই ভোটের মাঠে জোটের যে হাওয়া লেগেছে, তা একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের আভাস দিচ্ছে। এই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ দীর্ঘ মেয়াদে একটি শক্তিশালী, কার্যকর ও অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের দিকেও ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
-
সৈয়দা লাসনা কবীর অধ্যাপক ও চেয়ারপারসন, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
-
এস কে তৌফিক হক অধ্যাপক ও পরিচালক, সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (এসআইপিজি), নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
-
মোহাম্মাদ ঈসা ইবনে বেলাল প্রভাষক, লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
মতামত লেখকদের নিজস্ব