ইফতার করা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত। তিনি খেজুর, পানি ইত্যাদি হালাল খাবার খেয়ে ইফতার করতেন। ইফতার করা রোজাদারের জন্য আনন্দের বিষয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারের জন্য দুটি বিষয় আছে। যা তাকে খুশি করে। এক. যখন সে ইফতার করে। দুই. যখন সে তার রবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, তখন রোজার বিনিময়ে আনন্দিত হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮৯৪)
ইফতারি সামনে নিয়ে যে দোয়া করা হয়, সে দোয়া আল্লাহর মহান দরবারে গুরুত্বের সঙ্গে কবুল হয়। তাই ইফতারের আগে দোয়া করা উচিত। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। এক. ন্যায়পরায়ণ শাসক, দুই. রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৫২)
রাসুলুল্লাহ (সা.) ইফতার সেরে আল্লাহর শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা আদায় করতেন। তাঁর কাছে একটি দোয়া করতেন। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইফতার সেরে বলতেন—
ذَهَبَ الظَمَأُ، وَابْتَلَّتِ العُرُوْقُ، وَثَبَتَ الأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللّٰهُ
উচ্চারণ : জাহাবাজ জামায়ু, ওয়াব তালাতিল উরুকু, ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ।
অর্থ : পিপাসা দূর হয়েছে, সিক্ত হয়েছে নালিগুলো আর আল্লাহ চান তো পুরস্কারও নির্ধারিত হয়েছে।