Image description

ফরিদপুর শহরের থানা মোড়ে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা দলটির নেতাকর্মীরা। এটিকে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের সক্রিয়তার পরীক্ষা এবং রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে এলাকাবাসী। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী হঠাৎ করেই কার্যালয়ে উপস্থিত হন। 

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, কর্মসূচির আগের রাতেই সীমিত পরিসরে সমন্বয় করা হয়।

প্রকাশ্যে কোনো প্রচারণা ছিল না। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীরা ছোট ছোট দলে এসে জড়ো হন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর শহর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিবুর রহমান ফারহান, জেলা যুবলীগের সদস্য হিমেল মাহফুজ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফাহিম, রাজেন্দ্র কলেজ ছাত্র-ছাত্রী সংসদের সাবেক ভিপি কাওসার আকন্দ ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি দেবাশীষ নয়নসহ আরো কয়েকজন নেতাকর্মী।

স্থানীয়রা বলেন, ‘এটি হঠাৎ নয়, বরং সংগঠিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার একটি কৌশল।

বেশি ভিড় নয়, কিন্তু দৃশ্যমান উপস্থিতি ছিল তাদের পরিকল্পনা। রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মতে, দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন একটি কৌশলগত প্রতীক। এটি একদিকে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের প্রকাশ, অন্যদিকে সংগঠনের উপস্থিতি দৃশ্যমান করার উপায়।

 

ফরিদপুরের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ ধরনের কর্মসূচি স্থানীয় শক্তির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে ১৮ ফেব্রুয়ারি আলফাডাঙ্গায় অনুরূপ পতাকা উত্তোলনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এই কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

 

এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না এলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে পরিস্থিতি তাদের নজরদারিতে রয়েছে। তবে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছে না, ততক্ষণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণই আমাদের কৌশল।’