Image description

ঢাকা: সংস্কার ইস্যুতে বিএনপি সবসময় দোদুল্যমান ছিল। তারা 'না' এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল কিন্তু জনগণের চাপে পড়ে তারেক রহমান হ্যাঁ এর পক্ষে কথা বলেছেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারী) জাতীয় সংসদ ভবনে গেটে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে ১১ দলীয় জোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

তিনি বলেন, আগে থেকে সংস্কারের ব্যাপারে তাদের অবস্থান দোদুল্যমান।

 
আমরা দেখলাম যে বাংলাদেশের সকল জনগণ যখন গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করছে। তারা তখন না এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করলেন। ছাত্রদলের অফিশিয়াল পেজে তারা না'য়ের পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছে। তাদের বুদ্ধিজীবীরা 'না' এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছে।
কিন্তু শেষমেষ জনগণের চাপে পরে তারেক রহমান হ্যাঁ এর পক্ষে অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছেন। আমরা খেয়াল করে দেখেছি সংস্কারের প্রত্যেকটা ইস্যুতে বিএনপি প্রথমত 'না' এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। পরবর্তীতে জন চাপে পড়ে তারা 'হ্যাঁ' পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

 

তিনি বলেন, আজকের দিনেও আমরা খেয়াল করে দেখলাম যেখানে দুইটা শপথ গ্রহণ করার কথা।

আমাদের জুলাই সনদ বাস্তবায়নের যে আদেশ সে আদেশের মধ্যে স্পষ্ট বলা আছে যে দুইটা বিষয় শপথ গ্রহণ করার কথা এবং একই ব্যক্তি যিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ পড়বেন। তিনি সংস্কার পরিষদের শপথও  পড়াবেন। এই বিষয়গুলোর ক্লারিটি আছে। প্রত্যেকটা বিষয়ে ক্লারিটি থাকার পরেও বিএনপি এবং তাদের জোট সঙ্গীরা জুনায়েদ সাকিরা তারাও কিন্তু আজকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের যে শপথ সেটা গ্রহণ করেন নাই। এই যে তাদের এটা গ্রহণ না করা, আর তার প্রতিবাদ স্বরূপ আমরা কিন্তু আজকে মন্ত্রিসভার যে শপথ এখন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সেখানে আমরা দাওয়াত পাওয়া সত্ত্বেও অংশগ্রহণ করছি না।
  গণভোটে জনগণ হ্যাঁ পক্ষে অবস্থান ভোট দিয়েছেন, আর বিএনপি জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আমরা জানি শেষে বিএনপিও এই সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ করতে তারা বাধ্য থাকবে। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে  আমাদের অবস্থান পূর্ণ ব্যক্ত করছি। আমরা চাইবো যে তারা মন্ত্রিসভার দায়িত্ব গ্রহণ করুক এবং সংসদের দায়িত্ব গ্রহণ করারআগেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।