Image description
 

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত এমপি প্রার্থী শাহ্ নুরুল কবীর শাহিন বলেন, ২০০১ সালে ঈশ্বরগঞ্জবাসী আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে সংসদে পাঠিয়েছিল। সেবার আমি ঈশ্বরগঞ্জবাসীর জন্য কি করেছি তা আপনারা সবাই জানেন। আমার টাকা নেই, ঢাকায় বাসা নেই। বাবার যে জমিজমা আছে তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহের পর রাজনীতি করি। তাই আমি নির্বাচনে টাকা দিয়ে ভোট কিনতে পারবো না। দিতে পারবো শুধু ভালোবাসা। 

 

ভোটারদের উদ্দেশ্যে শাহিন বলেন, এখন আমার বয়স ৬৫ বছর। কয়দিন আর বাঁচব! তাই এটাই আমার শেষ নির্বাচন, আপনারা আমাকে শেষ বারের মতো আরেকবার সুযোগ করে দেবেন। আমি নির্বাচিত হলে কোন চাঁদাবাজকে আশ্রয় দিব না। আপনারা সুযোগ দিলে আমি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের লাগাম টেনে ধরে একটি আলোকিত ঈশ্বরগঞ্জ গড়ে তুলবো।

 

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের মগবাজারে গণসংযোগ ও নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

সাবেক এমপি শাহিন আরও বলেন, আমি নির্বাচিত হলে কোন দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা হতে দিব না।

দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণিপেশার মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে। তাই আপনারা প্রতীক দেখে নয়— ব্যক্তি দেখে ভোট দিবেন। আপনারা অতীতে আমাকে ভোট দিয়েছেন, আশাকরি আগামী ১২ তারিখেও আমাকে ভোট দেবেন।

 

এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে শাহ্ নুরুল কবীর শাহিন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে এবার তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান করেন। এখন তিনি হাতপাখার মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বর্তমানে একই আসনে শাহিনের অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন— বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, ১০ দলীয় জোট থেকে মনোনীত প্রার্থী এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট ড. আওরঙ্গজেব বেলাল ও লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম।