নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-৭ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লা। তিনি বলেছেন, বিএনপির অনেক প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার পরও নির্বাচন কমিশন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো মনোনয়ন বৈধ করেছে। কিন্তু অন্যান্য দলের ক্ষেত্রে ঘটেছে বিপরীত।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে চকবাজার শাহি জামে মসজিদ এলাকায় নির্বাচনী প্রচার শুরু করে তিনি এই অভিযোগ তোলেন। চকবাজার শাহি জামে মসজিদে আসরের নামাজ পড়ে এনায়াত উল্লা ঢাকা-৭ আসনে তাঁর নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালবাগ, চকবাজার, বংশাল, কামরাঙ্গীরচর (আংশিক) ও কোতোয়ালি (আংশিক) থানা এলাকা নিয়ে গঠিত।
এনায়াত উল্লা তাঁর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন৷ তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচার শুরুর আগেই গতকাল বুধবার এই আসনে বিএনপির নেতা–কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় ও রাস্তায় মাইক বাজিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালায়। এনায়াত উল্লা আরও বলেন, ‘পুলিশকে বা নির্বাচন কমিশনকে আমরা তাঁদের কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে দেখি নাই। এটা কিন্তু লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হইল না।’
নির্বাচনে জয়ী হলে এই আসনের বাসাবাড়িতে গ্যাস সমস্যা দূর করার প্রতিশ্রুতি দেন এনায়াত উল্লা। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা নিলেও মানুষের বাসাবাড়িতে গ্যাস থাকে না। তিনি গ্যাসের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনে আন্দোলন করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
এ ছাড়া তিনি পুরান ঢাকার পয়োনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়নের পাশাপাশি শিশুদের জন্য খেলার মাঠ নির্মাণ, মাদক নিয়ন্ত্রণ, পুরাতন ভবন ভেঙে নতুন অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ করে পুরান ঢাকাকে আধুনিক শহর হিসেবে গড়ার কথা বলেন।
শাহি জামে মসজিদে আসরের নামাজ শেষে মো. এনায়াত উল্লার নেতৃত্বে জামায়াতের নেতা–কর্মীরা মিছিল বের করেন। এ সময় তাঁরা ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’, ‘সৎ লোকের শাসন চাই, দুর্নীতিমুক্ত দেশ চাই’ এমন স্লোগান দিতে থাকেন।