গোয়েন্দা সংস্থার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে এই পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি চেষ্টায় দুই শতাধিক বহিষ্কার ও মামলা করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহায়তায় সুষ্ঠুভাবে এই পরীক্ষা গ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। কোনো জেলা থেকে কোনো প্রকার অনিয়ম বা অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে যথাযথভাবে পরীক্ষা পরিচালনায় দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে অসদুপায় অবলম্বন ও ডিভাইস ব্যবহারের অপরাধে দুই শতাধিক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ/নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। এছাড়াও ভুয়া প্রশ্নপত্র দিয়ে প্রতারণার সাথে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক আটক ও মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।