Image description

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালীন চাকরিবিধি উপেক্ষা করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) প্রাঙ্গনে কিছু কর্মকর্তা একটি দলের সমর্থনে এবং অন্য দলের বিপক্ষে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির ফাইল দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আজাদ খানের দপ্তরে। তবে তিনি সে ফাইল নিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

ফাইলটি না পাওয়ায় অভিযুক্তরা অবৈধ সুবিধা পাচ্ছে জানিয়ে তা ফেরত চেয়েছে মাউশি। আজ রবিবার (১৮ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং পরিচালক ও অভিযোগ নিষ্পত্তি কর্মকর্তা (অনিক) অধ্যাপক কাজী মো. আবু কাইয়ুম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট অফিস চলাকালীন মাউশি প্রাঙ্গনে চাকরিবিধি উপেক্ষা করে অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সমর্থনে এবং অন্য একটি দলের বিপক্ষে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন ও স্লোগান দেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তথা ভিডিও ফুটেজ, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়।

বিষয়ে বর্ণিত ফাইলের মাধ্যমে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিধিবদ্ধ ব্যবস্থা নেয়ার লক্ষে সংযুক্ত প্রমাণাদিসহ সম্পূর্ণ ফাইলটি আপনার (মুহাম্মদ আজাদ খান) দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু বর্ণিত ফাইলটির বিষয়ে আপনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে বা মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইংকে ফেরত না দিয়ে মহাপরিচালক-এর পদ থেকে অন্যত্র যোগদান করেন। 

আরও বলা হয়েছে, বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে জানা গেছে যে, যাওয়ার সময় ফাইলটি আপনি নিয়ে গেছেন। ফাইলটি না পাওয়াতে অভিযুক্তরা অবৈধ সুবিধা পাচ্ছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষে ফাইলটি পাওয়া জরুরি। 

এ অবস্থায় বর্ণিত ফাইলটি ফেরত প্রদানের জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো। বর্তমানে অধিদপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আজাদ খান।