Image description
 

যাতায়াত ব্যবস্থার বিবর্তন এবং শৈশব থেকে বর্তমানের স্মৃতি চারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক ওপেনার শাহরিয়ার নাফিস। স্কুল জীবন থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলো এবং বর্তমানের আধুনিক মেট্রোরেল পর্যন্ত নিজের দীর্ঘ পথচলার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন তিনি। ট্রাফিক জ্যামের এই যুগে মেট্রোরেলের দ্রুতগতির অভিজ্ঞতাকে তিনি ‘স্বপ্নের মতো’ এবং ‘অবাস্তব’ বলে অভিহিত করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে শাহরিয়ার নাফিস তার শৈশব নিয়ে বলেন, ‘ছোট বেলায় স্কুলে যেতাম স্কুল বাসে। ক্লাস কেজি থেকে ক্লাস সিক্স পর্যন্ত স্কুল বাস। কেজি - ক্লাস টু, যশোরের দাউদ পাবলিক স্কুল আর ক্লাস থ্রি - ক্লাস সিক্স পিলখানার রাইফেলস পাবলিক স্কুল ক্লাস সেভেনে ভর্তি হলাম সেন্ট জোসেফ স্কুলে। ক্লাস সেভেন থেকে ক্লাস টেন পর্যন্ত বাহন ছিলো রিকশা নটরডেম কলেজে যেতাম বাসে। ফার্স্ট ইয়ারে থাকতে মোহাম্মদপুর থেকে যেতাম সিটি বাসে। সেকেন্ড ইয়ারে থাকতে আমরা বারিধারা ডিওএইচএসে চলে যাই। সেখান থেকে যেতাম বিআরটিসি বাসে কখনও লোকাল বাসে।’

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের স্মৃতি মনে করে এই তারকা ক্রিকেটার আরও বলেন, ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে যখন আসলাম তখনও বাহন বাস। বারিধারা ডিওএইচএস থেকে শাহবাগ। কখনও বিআরটিসি ভলবো, কখনও ক্ষণিকা বাস, কখনও ৩ নাম্বার বাস আবার কখনও ম্যাক্সি। স্কুল থেকে ভার্সিটি, এই সময়টা মাঝে মাঝে বাসার গাড়িও ব্যবহার করতাম। তবে খুব কম এরপর থেকে আল্লাহর রহমতে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করছি।’

জনসাধারণের যাতায়াত ব্যবস্থার প্রতি নিজের বিশেষ ভালো লাগার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আমার সবচেয়ে প্রিয়। অনেক অভিজ্ঞতা বাড়ে। নানা মতের নানা ধরনের মানুষ দেখা যায়, চেনা যায় তবে nothing comes closer to this!!!!!!!’ সবশেষে ঢাকা মেট্রোরেল নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নাফিস লেখেন, ‘ঢাকা মেট্রো রেল ৩০ মিনিটে মতিঝিল থেকে উত্তরা, ট্রাফিক জামের এই যুগে স্বপ্নের মতো লাগে ,আনরিয়েল এক্সপেরিয়েন্স।’