Image description

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ এক কোটি কার্ড দেওয়ার কথা বলে দুর্নীতি-লুটপাট করে দেশকে দেউলিয়া করে ভারতে পালিয়েছে। নতুন করে আরেকটি দল নির্বাচনকে সামনে রেখে ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখাচ্ছে। আমরা ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন চাই না। ৪০ লাখ বেকার তরুণ সমাজকে চাকরির অধিকার দিতে হবে। আমরা আর এসব শিশু ভুলানো জিনিসে প্রতারিত হতে চাই না।

‎বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে পাবনা শহরের স্বাধীনতা চত্বরে (মুক্তমঞ্চ) ছাত্রশিবির পাবনা শহর শাখা আয়োজিত তরুণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, তরুণ সমাজকে মানুষের কাছে গিয়ে বলতে হবে কারা আগামীতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সামনের নির্বাচনে ইনসাফের পক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করতে হবে। ভোট ডাকাতির চিন্তা যদি কেউ করে তাহলে তরুণ সমাজ বসে থাকবে না। তরুণদের সঙ্গে নিয়ে ছাত্রশিবির প্রতিহত করবে। এরা যদি আওয়ামী ফ্যাসিবাদ থেকে শিক্ষা না নেয়, তাহলে আবার আরেকটি অভ্যুত্থান হবে। তরুণ ও যুব সমাজকে ভোটের কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। ভোট গুনে গুনে আনতে হবে।

‎তিনি আরও বলেন, এখন আদর্শিক সমাজ গড়ার সুবর্ণ সুযোগ আসছে। দেশ যখন বারবার পথ হারিয়েছে তখন সূর্যসন্তানেরা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ব্রিটিশরা পালিয়ে এই ভূখণ্ড মুক্ত হয়েছে। এখনো আধিপত্যবাদের করালগ্রাসে সূর্য অস্তমিত হয়ে আছে। আমরা আর গোলামি-দাসত্ব চাই না। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হয়। কিন্তু তেমন স্বাধীনতা পায়নি। এরপর ১৯৭১ সালে লাখ লাখ লোক রাস্তায় নেমে আসছিল। ভারতকে বেশি সুযোগ দিয়ে দেশ দেউলিয়া হয়েছে।

‎ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের সাফল্যের কথা তুলে ধরে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে বলেই সব ছাত্র সংসদ নির্বাচনে আমাদের বেচে নিয়েছে। শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক ও পড়াশোনার অধিকার ফিরে পেয়েছে। মেধার ভিত্তিতে চাকরি হবে। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁস ইন্টেরিম সরকারের জন্য বড় লজ্জাকর। 

‎পাবনা শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি গোলাম রহমান জয়ের সভাপতিত্বে ও এসএম হাবিবুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী প্রিন্সিপাল মাওলানা ইকবাল হোসাইন, জেলা সেক্রেটারি আব্দুল গাফফার খান, শিবিরের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু মুসা, সহকারী প্রকাশনা সম্পাদক ফিরোজ হোসাইন প্রমুখ।