কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত শিশুটি মারা যায়নি; তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।
রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়া শিশুটি মারা গেছে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানালেও পরে হোইয়ক্যাং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো.শাহজালাল দুপুরে জানান তথ্যটি সঠিক নয়।
জানতে চাইলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস দুপুর ২টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শিশুটি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। প্রথমে মারা যাওয়ার কথা শোনা গেলেও তা সঠিক নয়।
“তাকে চট্টগ্রামে মেডিকেলে নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বেঁচে আছে। হাসপাতালে নেওয়া পর্যন্ত কী হবে, জানি না।”
শিশুটির সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যদের বরাতে তার দাদা আবুল হাসেম বলেন, নাতনির সঙ্গে থাকা তার ছেলে শওকত জানিয়েছে বেলা ১২টার পর তারা উখিয়ার এমএসএফ হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রামের পথে রওনা হয়েছে।
১০ বছর বয়সী আফনান হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তেচ্ছিব্রিজ এলাকার জসিম উদ্দীনের মেয়ে এবং লম্বাবিল হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।
এদিকে এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
অবরোধ প্রসঙ্গে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোকন কান্তি রুদ্র বলেন, “সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ শুরু করেছে।”
টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও আরসার মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। গত তিনদিন ধরে সীমান্তের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলিতে এপারেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
