শ্মশানের নামকরণ নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে এক বৃদ্ধার মরদেহ সৎকারে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছে ওই বৃদ্ধার পরিবারের লোকজনসহ এলাকাবাসী।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেন তারা। পরে ইউএনওর হস্তক্ষেপে মরদেহের সৎকার হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উল্লাপাড়া পৌর এলাকার ঝিকিড়া গ্রামের মৃত গণেশ বণিকের স্ত্রী মিনা বণিক মারা যান। সোমবার তার মরদেহের সৎকারের জন্য উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে নেওয়া হয়। এ সময় ঘোষগাঁতী গ্রামের বাবলু ভৌমিক সৎকারে বাধা দেন। এতে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে সৎকার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করে বলেন, ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘন করে পরিকল্পিতভাবে সৎকারে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযুক্ত বাবলু ভৌমিক জানান, গতকাল রাতে ঝিকিড়া মহল্লার একজন বৃদ্ধা মারা যান।
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম আরিফ বলেন, শ্মশান নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। ওই শ্মশানে এক গ্রুপের মরদেহের সৎকার করতে প্রতিপক্ষের বাবলু ভৌমিকের কাছেে চাবি চান। তিনি চাবি না দেওয়ায় বিক্ষুব্ধ হয়ে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করে অপর পক্ষ।
৫ আগস্টের আগে শ্মশানটির নাম ছিল ‘উল্লাপাড়া মহাশ্মশান’। বর্তমানে এখন ‘ঘোঁষগাঁতী হিন্দু মহাশ্মশান’ নামকরণ করা হয়েছে। এ নিয়েই হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।