পাহাড়ের কোলে গড়ে ওঠা সবুজের ক্যাম্পাস, আয়তনের দিক দিয়ে দেশের সর্ববৃহৎ ক্যাম্পাস কিংবা এশিয়ার একমাত্র শাটল ট্রেনের ক্যাম্পাস হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বছরে যুগ যুগ ধরে বন্ধ থাকা কাজ, নতুন নতুন উদ্যোগ, নানা ইস্যুতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বছরজুড়েই আলোচনায় ছিলো দেশের অন্যতম প্রাচীন এই বিদ্যাপীঠ।
বিশেষ করে, দীর্ঘ ৯ বছর পর সমাবর্তন, এক নারী শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে স্থানীয়দের সঙ্গে চবি শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে প্রো-ভিসি ও প্রক্টরসহ তিন শতাধিক আহত হওয়া, চাকসু নির্বাচনে শিবির প্যানেলের বিজয় এবং ছাত্রসংগঠনগুলোর সহিংস কর্মকাণ্ডসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনায় ছিল প্রতিষ্ঠানটি। বছরজুড়ে বিভিন্ন আলোচিত ঘটনা এ আয়োজনে তুলে ধরা হয়েছে।
দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন:
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ পূর্বাভাসের সক্ষমতা বাড়াতে দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনের নির্মাণকাজ শুরু হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও গবেষণাসহ বাংলাদেশে উন্নত সমুদ্র গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ হবে এটি। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চবিতেই প্রথম স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন চালু হলো। স্টেশনটি উপকূলীয় এলাকার বিস্তারিত তথ্য ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হবে, যা দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এটি সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
দীর্ঘ নয় বছর পর চবির পঞ্চম সমাবর্তন, প্রাপ্তির সঙ্গে ছিলো ভোগান্তিও:
দীর্ঘ নয় বছর পর গত বছরের ১৪ মে অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সমাবর্তনে ২০১১ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৯টি অনুষদের ২২ হাজার ৫৮৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। গ্র্যাজুয়েটদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী মিলিয়ে প্রায় ৭০ হাজার মানুষের সমাগম হয় অনুষ্ঠানে। এত বিশালসংখ্যক মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাবার, পানির ব্যবস্থা ছিল না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। ২৩ হাজার গ্র্যাজুয়েট ও আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। তবে সমাবর্তন প্যান্ডেলে তীব্র গরমে অনেকে অসুস্থ হলেও খাবার পানি বা স্যালাইনের ব্যবস্থা ছিল নগণ্য। অনেক শিক্ষার্থীই প্রধান অতিথির বক্তব্যের আগেই সমাবর্তনের স্থান ত্যাগ করেন। সমাবর্তনে ৪২ জনকে পিএইচডি ও ৩৩ জনকে এমফিল ডিগ্রি প্রদান করা হয় এবং প্রধান উপদেষ্টাকে ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
৩৫ বছর পর চাকসু নির্বাচন, শিবির প্যানলের ভূমিধস জয়:
দীর্ঘ প্রায় তিন যুগ পর গত বছরের ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচন। এতে ঢাবি, জাবির মতো ভূমিধস বিজয় পায় ইসলামি ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের প্রার্থীরা। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৬ টি পদের ২৪ টিতে জয় পায় প্যানেলটি। এতে ভিপি (সহসভাপতি) পদে ছাত্রশিবিরের মো. ইব্রাহিম হোসেন ও জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে ছাত্রশিবিরের সাঈদ বিন হাবিব জয় পায়। অন্যদিকে, এজিএস (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) পদে জয়ী হযন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী আইয়ুবুর রহমান।
৩ ধাপে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি শিক্ষকদের:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয়করণ ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকলেও, বর্তমান প্রশাসনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গত বছর তিন ধাপে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। লিখিত, ভাইভা ও প্রেজেন্টেশন এই তিন ধাপে পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
শিক্ষক নিয়োগে ‘স্বজনপ্রীতি’, দুদকে অভিযোগ ১০ শিক্ষার্থীর:
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেন লিখিত পরীক্ষায় ‘অনুত্তীর্ণ’ হওয়া শিক্ষার্থীরা। ‘স্বজনপ্রীতিমূলক’ আখ্যা দিয়ে নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদনও করেন তারা।
স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় চবি:
গত বছরের ৩১ আগস্ট এক নারী শিক্ষার্থীকে বাসার দারোয়ান কর্তৃক মারধরের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেইট এলাকার স্থানীয়দের সঙ্গে চবি শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), সাবেক প্রক্টরসহ প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে দুই শিক্ষার্থী গুরুতর অবস্থায় দীর্ঘ প্রায় ১ মাসেরও বেশি সময় আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
‘আমরা জমিদার, জমিদারের ওপর হস্তক্ষেপ মেনে নেব না’, জামায়াত নেতা:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের পৈতৃক সম্পত্তির ওপর। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মালিক। আমরা জমিদার, জমিদারের ওপর কেউ হস্তক্ষেপ করবে, এটা আমরা মেনে নেব না। স্থানীয়দের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের পর এমন মন্তব্য করেন জামায়াত নেতা। তিনি চট্টগ্রাম-৫ আসনের মনোনীত এমপি প্রার্থী ছিলেন। এ ঘটনার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়।
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা চবির হল শাখা শিবিরের সভাপতি:
বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবরার ফারাবীর নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগে যুক্ত থাকার বিষয়টি সামনে আসে গত বছর। ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার সময়ে তার ফেসবুকে দেওয়া জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরবিরোধী বেশ কয়েকটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
চাকসু নির্বাচন ঘিরে ছাত্রদলে কোন্দল, সিনিয়র সহ-সভাপতি বহিষ্কার:
চাকসু নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের মধ্যে কোন্দল দেখা দেয়। ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ‘বিদ্রোহী’ প্যানেল দাঁড় করানোর কারণে। ছাত্রদলের মাত্র পাঁচ সদস্যের কমিটির এক সিনিয়র সহ-সভাপতিকে আজীবনের জন্য সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।
উপ-উপাচার্যের মন্তব্য ঘিরে প্রশাসনিক ভবনে তালা:
গত ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানের বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে তার পদত্যাগ দাবি করে ছাত্রদল ও বাম সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দাবি আদায়ে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয় তারা। তবে, উপ-উপাচার্যের বক্তব্যকে খণ্ডিত আকারে প্রকাশ করা হয়েছে বলে বিবৃতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০১ জন শিক্ষক।
চবিতে ফের উত্তেজনা:
উপ-উপাচার্যের মন্তব্যের এ ঘটনায় মুখোমুখি অবস্থানে দেখা যায় শিবির ও ছাত্রদলকে। ১৫ ডিসেম্বর দিনভর উত্তেজনার পর বিকেলে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করলে ছাড় দেওয়া হবেনা বলে হুঁশিয়ারি দেন চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি। পরদিন ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের বক্তব্য চলাকালীন অবস্থায় ইব্রাহিম হোসেন রনির দিকে তেড়ে আসেন শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন ও দলের কয়েকজন নেতাকর্মী।
চবিতে দীর্ঘ হচ্ছে ভুয়া শিক্ষার্থীর তালিকা:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) যেন হয়ে উঠে ভুয়া শিক্ষার্থীদের অভয়ারণ্য। নির্দিষ্ট সময় পরপরই বেরিয়ে আসে ভুয়া শিক্ষার্থী শনাক্তের চাঞ্চল্যকর তথ্য। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুইজন ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাদের একজন সীমান্ত ভৌমিক, অন্যজন মিনহাজ ইসলাম রিফাত। ২৭ নভেম্বর শিক্ষার্থীদের হাতে মিনহাজ ইসলাম রিফাত ধরা পড়ার এক সপ্তাহ না যেতেই মঙ্গলবার ২ ডিসেম্বর দুপুরে সীমান্ত ভৌমিক নামের আরেক শিক্ষার্থীকর আটক করা হয়। এ ছাড়া গত বছরের ২০ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কটেজ থেকে কাওসার নামের এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তিনি নিজেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হিসাবে পরিচয় দিতেন। বিভিন্ন কটেজে থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তিনি ভালো সম্পর্ক তৈরি করতেন। এরপর তাদের দামি জিনিসপত্র চুরি করে পালাতেন।
‘কারো প্রতি অভিযোগ নেই’লিখে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা:
গত ৪ ডিসেম্বর চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। তার নাম ওমর ফারুক সুমন। তিনি আরবি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। সেখানে তিনি লিখে যান- ‘আমি সুমন, ওমর ফারুক সুমন। আমার কোনো আশা-আকাঙ্ক্ষা নেই। আর আমার কারো প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। সবাই ভালো থাকবেন’। এ ছাড়া গত ২৮ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একটি ভাড়া বাসা থেকে এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই শিক্ষার্থীর নাম লাবিবা লামিয়া তানহা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। নিজ কক্ষে লাবিবাকে ওড়নার সঙ্গে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চবি ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি, স্থান পান ৪ শতাধিক নেতাকর্মী:
মেয়াদোত্তীর্ণের পর শাখা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। গত ২৯ অক্টোবর রাত ১০টায় এই কমিটি প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।
আংশিক কমিটি ঘোষণার প্রায় ২৬ মাস পর ৪২০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিল কেন্দ্র। এর মধ্যে সহ-সভাপতি ৬০ জন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৯২ জন। সহ-সাধারণ সম্পাদক ৬৩ জন। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ৬৪ জন এবং সদস্য ৬২ জন। এর আগে ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মহসিনকে সভাপতি ও আবদুল্লাহ আল নোমানকে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচ সদস্যের আংশিক কমিটি দেয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চবি শাখা।
এক বছরে তিন সভাপতি চবি শিবিরের:
২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে তিন সভাপতি নির্বাচিত হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। ২০২৫ এর ৫ জানুয়ারি মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে সভাপতি ও মোহাম্মদ আলীকে সেক্রেটারি ঘোষণা করে সংগঠনটি। এ কমিটির মেয়াদ ছিলো ৬ মাস। জুলাইয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন মোহাম্মদ আলী। সেক্রেটারি মনোনীত হন মোহাম্মদ পারভেজ। এ কমিটির মেয়াদও ৬ মাস স্থায়ী ছিল। সবশেষ ২৯ ডিসেম্বর সোমবার শাখা ছাত্রশিবিরের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি। ২০২৬ সালের নতুন সেশনে তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।