Image description

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৭ হাজার ২০৮টি শূন্য পদের বিপরীতে ৭ম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ গণবিজ্ঞপ্তিতেও ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা আবেদন করতে পারবেন না।

রবিবার (০৪ জানুয়ারি) এনটিআরসিএর একটি সূত্র জানিয়েছে, ইনডেক্সধারীদের আবেদনের সুযোগ নেই। তবে কেউ যদি স্কুলে ইনডেক্স পেয়ে থাকেন, তার যদি কলেজে ইনডেক্স না থাকে এবং নিবন্ধন থাকে তাহলে তিনি কলেজে আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে কলেজে ইনডেক্স থাকা শিক্ষকদের স্কুলের নিবন্ধন এবং ইনডেক্স না থাকলে তারা স্কুল পর্যায়ে আবেদন করতে পারবেন।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতেও নিবন্ধনধারীদের সনদের মেয়াদ তিনবছরই থাকছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সবশেষ পরিপত্রে তিনবছরের কথাই উল্লেখ রয়েছে। আর বয়স গণনা করা হবে ২০২৫ সালের ৪ জুন থেকে।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা বলেন, ‘৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়স গণনা করা হবে ২০২৫ সালের ৪ জুন থেকে। এই তারিখের মধ্যে বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর হতে হবে, কারণ ঐ দিনই ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়েছে। আর সনদের মেয়াদ হতে হবে তিন বছর।’

এদিকে প্রকাশিত হতে যাওয়া ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের নিয়মে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে সুপারিশ প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এনটিআরসিএর একটি সূত্র জানিয়েছে, ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে একজন প্রার্থী শূন্যপদের তালিকা থেকে সর্বোচ্চ সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দ উল্লেখ করতে পারবেন। এর বাইরে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে ‘আদার অপশন’, যেখানে ইচ্ছা অনুযায়ী সম্মতি বা অসম্মতি জানানো যাবে।

এর আগে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৪০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দ দেওয়ার সুযোগ পেতেন। তবে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে সেই সংখ্যা কমিয়ে সাতটিতে নামিয়ে আনা হয়েছে।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা বলেন, নির্ধারিত পছন্দ দেওয়ার পর কোনো প্রার্থী যদি তার নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে আগ্রহী হন, তাহলে ই-অ্যাপ্লিকেশন ফরমে থাকা ‘আদার অপশন’ বক্সে ‘ইয়েস’ নির্বাচন করতে হবে। আর যারা পছন্দের বাইরে অন্য কোথাও নিয়োগ চান না, তাদের জন্য থাকবে ‘নো’ অপশন।