Image description

দেশে মাটির নিচে গ্যাসের মজুত থাকলেও গত ১৭ বছরে গ্যাসের একটি কূপও খনন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে আগের সরকারের নেওয়া নীতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব দেশের মানুষকে আরও ৫০ থেকে ৬০ বছর বহন করতে হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ক্যাম্পাসে আয়োজিত ‘রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্ট ২০২৬’-এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, গত ১৭ বছরে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে যে অপরিবর্তিত ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছিল, তার দায় ও প্রভাব বাংলাদেশের মানুষকে দীর্ঘদিন বহন করতে হবে।কাতার থেকে চুক্তি অনুযায়ী তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ থাকায় সরকারের ব্যয় বাড়ছে বলেও জানান তিনি। মন্ত্রীর ভাষ্য, সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্পট মার্কেট থেকে প্রতি ইউনিট গ্যাস ৩০ ডলার পর্যন্ত বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, যা সরকারের ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি করেছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সামগ্রিক জ্বালানি মিশ্রণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ৩০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ খাতের প্রয়োজনীয় সব যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণ করমুক্ত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ছাদের মালিকদের জন্য ভাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সাধারণ মানুষ যাতে সাশ্রয়ী মূল্যে কিনতে পারে, সে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

শীর্ষনিউজ