Image description

আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অধ্যয়নকালে ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন কুবি শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ। গতকাল রবিবার (২৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টে এ কথা জানান তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘স্নেহের ছোটভাই তারেক রহমান। একসময়কার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য ছিল। তোমার জন্য শুভকামনা রইলো। ২০১১-২০১৩ সালে আন্দোলনে কল দিলে বা মেসেজ দিলে সরব উপস্থিতি ছিল তোমার, একসঙ্গে বহুদিন হাসিনাবিরোধী হরতাল, অবরোধে সময় দিয়েছো। সেই থেকে এখন অবধি তোমার হাসিনাবিরোধী অবস্থান প্রশংসা পাবার মতো।’

পোস্টের বিষয়ে জানতে চাইলে সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকালে মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তারেক রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে ২০১৩-১৪ সালের দিকে শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। তৎকালীন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আয়োজিত মিছিল-মিটিংসহ সব কর্মসূচিতেই তিনি আমাদের সঙ্গে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে জাপানে যাওয়া উপলক্ষে তাকে শুভ কামনা জানিয়েছি।’

 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। তিনি ওই বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে চার দিনের জন্য জাপান সফরে গেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকের দাবি, বিএনপি নিজ দলের কর্মীদের মূল্যায়ন না করে দলের বাইরের ব্যক্তিদের গুরুত্ব দিচ্ছে।

 

এমন প্রেক্ষাপটে আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমানকে ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেছেন কুবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ।

তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান অত্যন্ত বিনয়ী একজন মানুষ। তিনি আমাদের এক ব্যাচ জুনিয়র ছিলেন। আমরা যখন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করতাম, তখন তিনিও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন, এটা বাস্তব সত্য।’

তবে ওই সময়ে ছাত্রদলের কোনও কর্মসূচিতে তারেক রহমানের অংশগ্রহণের ছবি বা ভিডিও পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ‘এই মুহূর্তে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে তার অংশগ্রহণের কোনও ছবি আমার কাছে নেই। এটি ২০১৩-১৪ সালের দিকের ঘটনা। এখন ছবি পাওয়া খুবই কঠিন। তবে তিনি ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন, এটা সত্য।’