Image description

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়ায় বাবা লিটন মিয়াকে (৪৫) ছুরি মেরে হত্যা করেছে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাত ১টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে সোহেলকে (২৪) পাবনার মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছেলের ছুরিতে লিটন মিয়ার স্ত্রীও আহত হয়েছিলেন।

চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হয়েছেন।

নিহতের বড় ছেলে রাসেল আমিন জানিয়েছেন, তার মেজো ভাই সোহেল মানসিক রোগে ভুগছেন। কিছুদিন ভালো থাকলেও পরে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ কারণে তাকে মাঝেমধ্যে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি রাখতে হয়।রাসেল আমিনের ভাষ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে মোবাইল ফোন দেখছিলেন সোহেল। এ সময় তার বাবা তাকে মোবাইল বন্ধ করতে বলেন। পরে পরিবারের সবাই রাতের খাবার খেয়ে নিজ নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। মা সানু বেগমও সবার খোঁজখবর নিয়ে নিজের ঘরে ঘুমাতে যান।এরপর হঠাৎ সোহেল তাদের ঘরে গিয়ে বাবা-মাকে ছুরি মারেন। পরে আহত দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোহেলকে আটক করে পাবনার মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় সানু বেগম সুস্থ হয়ে উঠলেও মারা যান লিটন মিয়া। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই বলে জানিয়েছেন রাসেল আমিন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকেও অবহিত করা হয়েছে।

লিটন মিয়া পরিবার নিয়ে যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়ার আদর্শবাগ এলাকায় বসবাস করতেন। তিন ছেলের জনক ছিলেন তিনি।

লিটনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

শীর্ষনিউজ