অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বাংলাদেশ ও ভারতের জেন জি আন্দোলনের মধ্যে বেশ কিছু মিল-অমিল তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশেই তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, সাধারণ মানুষের সমর্থন এবং প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার বাইরে আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য দেখা যাচ্ছে। তবে আন্দোলন দমনে সহিংসতা, বিচারব্যবস্থার ভূমিকা, সরকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ও সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থানের ক্ষেত্রে দুই দেশের পরিস্থিতিতে পার্থক্য রয়েছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।
ফেসবুক পোস্টে বাংলাদেশ ও ভারতের আন্দোলনের মিল, অমিল তুলে ধরেন।
মিল
১. আমাদের বর্ষা বিপ্লবের মতো, ভারতে যুবারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে এবং সাধারণ মানুষ তাদের সমর্থন করছে।
২. আমাদের মতো ভারতীয় যুবাদের আন্দোলন, প্রচলিত রাজনৈতিক দলের আন্দোলন থেকে ভিন্ন: গান ও ক্ষমতাসীনদের মেমে এর প্রধান উপাদান।
৩. আমাদের মতো ভারত সরকারও পুলিশ ও সরকারি দলের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে আন্দোলনকারীদের হেনস্থা করছে। ইন্টারনেট ও গণপরিবহন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে আন্দোলন স্তিমিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
৪. দুই জায়গাতেই আন্দোলনকারীদের বিভক্ত করার চেষ্টা হয়েছে এবং হচ্ছে।
অমিল
১. আন্দোলনকারীদের দমন করা হলেও তা আমাদের মতো প্রাণঘাতী নয়; কাউকে গুম, খুন করা হচ্ছেনা।
২. ভারতের বিচারব্যবস্থা তার মেরুদণ্ড দেখাচ্ছে। খানিকটা হলেও সরকার থেকে স্বাতন্ত্র বজায় রেখেছে।
৩. ইস্যুভিত্তিক আন্দোলন কোটা, পরীক্ষার ফল, নির্বাচন কমিশনের অনিয়ম থেকে সরকার পতনের দিকে গেলেও ভারতের ক্ষেত্রে নির্বাচনের মাধ্যমেই তা নির্ধারিত হতে যাচ্ছে।
৪. ভারতের সশস্ত্রবাহিনী আন্দোলন থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করছে।
আপনিও যোগ করতে পারেন।