নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করার প্রয়োজন হবে না।
তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে এবং আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে।’
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানো থাকবে এবং ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে সুবিধা নিতে না পারে। এছাড়া পুলিশ, বিজিবি, র্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও রেসপন্স করার সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে।’
নির্বাচনি অভিযোগসংক্রান্ত বিষয়ে স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘অনিয়ম ঠেকাতে বিচারে যুক্ত রয়েছে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ এবং মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া ৩টি অভিযোগের মধ্যে ১টি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি ২টি তদন্তাধীন রয়েছে।’
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।