Image description

‘টাকা কোথায়? মেহমানদের লিস্ট পাঠাও। নতুন কোনো মেহমান নিয়েন না। মিডিয়া প্রশাসন মেহমান সেজে ঝামেলা করতে পারে।’ জবাবে অপর প্রান্ত থেকে তাগিদ দিয়ে বলা হয়, ‘মেহমানদের লিস্টটা দেন, স্যার চাইতেছে।’

প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্যদের হোয়াটসঅ্যাপের এই বার্তাগুলোতে যে ‘মেহমান’-এর কথা বলা হচ্ছে, তাঁরা আসলে বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার চাকরিপ্রার্থী। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ট্রাংক কেটে কিংবা প্রেসের বাথরুম থেকে অন্তর্বাসে লুকিয়ে প্রশ্ন বের করে আনার পর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধাপটি শুরু হতো। তা হলো পরীক্ষার্থীদের গোপন আস্তানায় জড়ো করে কড়া পাহারায় রাতভর প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো।

গোয়েন্দা নজরদারি এড়াতে ঢাকার বিলাসবহুল রিসোর্ট, বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) ডরমিটরি, ফিল্টারের গুদাম কিংবা কোচিং সেন্টারের আড়ালে গড়ে তোলা হতো এসব গোপন আস্তানা। সেখানেই চলত ‘অপারেশন মেহমান’। শুধু তা–ই নয় ‘মেহমান’ সম্বোধিত এসব পরীক্ষার্থীর জন্য ছিল বিশেষ নির্দেশনাও।

কঠোর বিধিনিষেধ

প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ডেরায় প্রবেশ করা প্রার্থীদের জন্য জারি করা হতো কঠোর অনুশাসন। চক্রের অন্যতম হোতা আবু সোলেমান মো. সোহেলের মুঠোফোনে ২০২৪ সালের ২৪ এপ্রিল সকাল ১১টা ৩৮ মিনিটে আসা একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় প্রার্থীদের প্রতি কড়া সতর্কবার্তা পাওয়া যায়। বলা হয়, ‘কেউ শু বা কেডস পরে আসবে না। কোনো প্রকার ঘড়ি পরে আসবে না। মানিব্যাগ বা ভ্যানিটি ব্যাগ নিয়ে আসবে না। কিছু টাকা হাতে অথবা পকেটে নিয়ে আসবে তাদের যাতায়াত ভাড়া বাবদ। শুধু অ্যাডমিট কার্ড ও কলম সাথে নিয়ে আসবে। মোবাইল ফোন পাইলে কঠোর শাস্তি হবে।’

তদন্তে দেখা গেছে, প্রার্থীদের কোনো স্মার্টফোন সঙ্গে রাখার অনুমতি ছিল না। যোগাযোগের জন্য শুধু সাধারণ বাটন ফোন রাখা যেত। জুতা, বেল্ট, ব্যাগ বা ব্যক্তিগত কোনো জিনিসপত্র নিয়ে গোপন কক্ষে ঢোকা ছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী
পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীছবি: সংগৃহীত

সাভারের রিসোর্টে ৪৪ প্রার্থী

২০২৪ সালের ৫ জুলাই বাংলাদেশ রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষার আগে সাভারের রেডিও কলোনি এলাকার ‘পালমিরা রিসোর্ট’ ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সেখানে শাওন বিশ্বাসসহ ৪৪ জন পরীক্ষার্থীকে এনে রাখা হয়।

রিসোর্টের ভেতরে অস্থায়ী বুথ বানিয়ে প্রার্থীদের টানা দুই দিন রাখা হয় এবং সরবরাহ করা হয় উত্তরসহ ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র। সারা রাত মুখস্থ করানোর পর পরীক্ষার দিন ভোরে তাঁদের নিজ নিজ কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শাওন বিশ্বাস নামের এক প্রার্থীর চাচা সনৎ কুমার বিশ্বাস জনতা ব্যাংকের পাগলাপুর বাজার শাখা থেকে আবেদ আলীর হিসাবে ছয় লাখ টাকা জমা দিয়েছিলেন। শাওন ও সনৎ দুজনই এ বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি দিয়েছেন। রিসোর্টের কেয়ারটেকার রতন মাতুব্বরও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই রিসোর্ট বুকিংয়ের মূল দায়িত্বে ছিলেন আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম। বাবার নির্দেশেই তিনি প্রার্থীদের থাকার ব্যবস্থা করতেন। সিয়াম পেশায় শিক্ষার্থী হলেও তাঁর জীবনযাপন ছিল বিলাসবহুল। তাঁর ফোন ফরেনসিক করে দেখা যায়, প্রার্থীর প্রবেশপত্রের ছবি, টাকা লেনদেনের মেসেজ ও তালিকা তাঁর ফোনে সংরক্ষিত ছিল। প্রশ্নপত্র ফাঁসের টাকায় সিয়াম নিজের ও বেনামে একাধিক ব্যবসা এবং বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

এনজিওর ডরমিটরিতে রাতভর মহড়া

চক্রের আরেক সদস্য মো. আল মামুন চাকরিপ্রার্থীদের রাখার জন্য রাজধানীর মোহাম্মদপুরের দুটি প্রতিষ্ঠিত এনজিওর আবাসনকে বেছে নেন। একটির নাম পদক্ষেপ, অন্যটির নাম ইউএসটি।

ইউএসটির আবাসন থেকে ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডার (ডিভিআর), বিশেষ রেজিস্টার, অগ্রণী ব্যাংকের জমা স্লিপ এবং টাকা জমার রসিদ জব্দ করে সিআইডি। সেখানে ২০২৪ সালের ২৫ এপ্রিলের একটি রসিদ পাওয়া যায়, যেখানে প্রার্থীদের এক রাতের থাকা ও খাবারের বিল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছিল ৪ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরাফাত রহমান আকাশ ও মো. তুহিন হোসেন নামের দুই পরীক্ষার্থী ১৬১ ধারায় পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়ে সেখানে অবস্থানের কথা স্বীকার করেছেন।

একইভাবে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আগে পদক্ষেপের ডরমিটরিতে পরীক্ষার্থীদের এনে দুই দিন রাখা হয় এবং পরীক্ষার আগের রাতে প্রশ্নের সেট মুখস্থ করানো হয়। সেখান থেকে দর্শনার্থী রেজিস্টার ও ২৫ এপ্রিলের একটি রসিদ জব্দ করা হয়, যাতে থাকা-খাওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা পরিশোধের প্রমাণ মেলে। সেখানে অবস্থান করা পরীক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান ও প্রসেনজিৎ চাকমাও পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন।

 

ফিল্টারের গুদামে ৪২ প্রার্থী

তদন্তে মো. সাখাওয়াত হোসেন ও তাঁর ভাই সাইম হোসেনের ভূমিকা চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। সাখাওয়াত পেশায় ফিল্টার ব্যবসায়ী আর ছোট ভাই সাইম তাঁকে সহযোগিতা করতেন। বন্ধু সাজেদুলের মাধ্যমে রেলওয়ের পরীক্ষার প্রশ্ন পেয়ে সাখাওয়াতের ফিল্টারের গুদামে ৪২ জন প্রার্থীকে জড়ো করা হয়। এর মধ্যে সাইম আনেন ৮ জন এবং সাজেদুল আনেন ৩৪ জন। পরীক্ষার আগের রাতে ফিল্টারের গুদামে রেখে তাঁদের প্রশ্ন মুখস্থ করিয়ে সকালে কেন্দ্রে পাঠানো হয়। সাখাওয়াত ও সাইম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ ছাড়া তেজগাঁও থানার পেছনের একটি বাসা, বাসাবো এলাকা এবং সাজেদুলের এজিবি কলোনির বাসায় প্রার্থীদের রেখে পড়ানো হতো। জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পরীক্ষার ৪০ প্রার্থীকে দুই ভাগে ভাগ করে মো. আল আমিন হোসেন ও মো. আনিছুর রহমানের বাসায় রাখা হয়েছিল। এই ৪০ প্রার্থীর মধ্যে মাহমুদুল হাসান মান্না ১১ জন, ওয়াসিম খান ৫ জন, সুমন কুমার বসু ৩ জন, আনিছুর রহমান ৬ জন এবং বিপাশ চাকমা ১১ জন প্রার্থী সরবরাহ করেছিলেন।

 

১০ কোটির মালিক সোহেল

আবু সোলেমান মো. সোহেল একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হলে থেকে বিসিএসের প্রস্তুতি নিতেন। সেখানে পরিচিত রঞ্জুর মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারির প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা জানতে পারেন। এরপর আল মামুনের মাধ্যমে তিনি চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। ৩৬তম বিসিএসের প্রশ্ন বিজি প্রেস থেকে ‘আমি প্রিন্টিং প্রেসে’ সরিয়ে নেওয়ায় চক্রটি তা ফাঁস করতে পারেনি।

৩৭তম বিসিএসে স্বাধীন চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি সোহেলকে ক্যাডার বানানোর চুক্তি করেন। তাঁকে ফার্মগেটের কাছে একটি স্কুলে সিট ফেলে সেখানকার প্রধান শিক্ষকের বাসায় রেখে প্রশ্নের সমাধান দেওয়া হয়। এমনকি বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় সোহেলের খাতা অন্যকে দিয়ে লিখিয়ে এনে পরীক্ষার হলে বদল করে জমা দেওয়া হয়েছিল। সোহেল প্রিলিমিনারি ও লিখিত পাস করলেও মৌখিক পরীক্ষায় বাদ পড়েন।

চাকরি না পেয়ে সোহেল নিজেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের বড় দালাল হয়ে ওঠেন। মিরপুরে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার আড়ালে তিনি প্রশ্ন বিক্রি করতেন। ৪৬তম বিসিএসে জনপ্রতি ৮০ হাজার টাকা চুক্তিতে ২৩ জন প্রার্থী দেন সোহেল। আগারগাঁওয়ের আইডিবি ভবনের সামনে থেকে দুটি মাইক্রোবাসে করে প্রার্থীদের রিসিভ করে নিয়ে যান আল মামুনের লোকেরা। তাঁদের মধ্যে ১৭ জন প্রিলিমিনারিতে পাস করেন। রেলওয়ের পরীক্ষায় সাজেদুলের মাধ্যমে তিনি দেন ১০ জন প্রার্থী। সিআইডি সোহেলের ৮টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১০ কোটি টাকার সন্ধান পেয়েছে। এই টাকায় তিনি তাঁর দুই ভাইয়ের জন্য স্বর্ণালংকারের দোকানে বিনিয়োগ করেন এবং নিজের নামে দেশের বিভিন্ন জায়গায় জমি কেনেন।

 

প্রতিষ্ঠানের আড়ালে প্রশ্নপত্র বিক্রি

মিরপুরে ‘জব কর্নার সাঁটলিপি অ্যান্ড কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ নামের একটি কোচিং সেন্টার চালাতেন এস এম আলমগীর কবীর। এই প্রতিষ্ঠানের আড়ালেই তিনি বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নির্দিষ্ট প্রার্থীদের কাছে বিক্রি করতেন। তাঁর কাছ থেকে প্রবেশপত্র, চেক বই ও ব্যাংকের লেনদেনের নথি পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে একটি ফটোকপির দোকানের মালিক আনিছুর রহমানের সঙ্গে পরিচয় হয় নিয়মিত ফটোকপি করতে আসা আবেদ আলীর। পরিচয়ের সূত্রে আনিছুর রেলের জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে সাত লাখ টাকা চুক্তিতে কয়েকজন প্রার্থী দেন। পরীক্ষার দুই দিন আগে আবেদ আলীর নির্দেশে ‘সিয়াম এন্টারপ্রাইজ’ নামের ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের হিসাবে তিন লাখ টাকা জমাও দেন তিনি। আনিছুর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্যের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

অভিযোগপত্রে ৫৫ সদস্যের চক্র

সিআইডির অভিযোগপত্রে নাম আসা ৫৫ আসামি হলেন সৈয়দ আবেদ আলী জীবন, নোমান সিদ্দিকী, মো. খলিলুর রহমান, মো. সাজেদুল ইসলাম, আবু সোলেমান মো. সোহেল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, এস এম আলমগীর কবীর, প্রিয়নাথ রায়, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. আবু জাফর, মো. শাহাদাত হোসেন, মো. মামুনুর রশীদ, মো. নিয়ামুল হাসান, মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, সাইম হোসেন, লিটন সরকার, সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম, নিখিল চন্দ্র রায়, মো. শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া, দীপক বনিক, মো. খোরশেদ আলম খোকন, কাজী মো. সুমন, এ কে এম গোলাম পারভেজ, মেহেদী হাসান খান, মো. মিজানুর রহমান, আতিকুল ইসলাম, এইচ এম মোস্তফা, মো. মাহফুজার রহমান ওরফে কালু, মো. আসলাম হোসেন, কৌশিক দেবনাথ, মো. মোজাহেদুল ইসলাম, মো. মজনু মিয়া, মোহাম্মদ আকরাম হোসেন মন্ডল, মো. আবদুল আজিম, রূপন চন্দ্র দাস, মো. আনিছুর রহমান, মো. সহিদুল ইসলাম, মো. জুয়েল আল মামুন, মো. সোহেল পারভেজ ওরফে সুজন, মো. আল মামুন, মো. দেলোয়ার হোসাইন, শাকের আহমেদ আল-আমিন, মো. আশরাফুল আলম, মো. রুবেল শরীফ, মো. মাহমুদ হাসান মান্না, এম এম নাজমুল হাসান, বিপাশ চাকমা, মো. মান্নান উদ্দীন, মো. জসিম উদ্দিন ওরফে কালু, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান দিপু, মো. ফেরদৌস আহমদ, মো. বিলাল হোসেন, সুমন কুমার বসু, মো. ওয়াসীম খান ও জাহিদুল সরদার।

অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে সিআইডি। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে ২৬ জন গ্রেপ্তার হলেও বর্তমানে আবেদ আলী, সিয়ামসহ ২৫ জনই জামিনে আছেন। কারাগারে আছেন কেবল একজন। বাকি ২৯ জন এখনো পলাতক। তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত সংবাদপত্রে নাম প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কী বলেন

সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও তদন্ত কর্মকর্তা সুমন কুমার সাহা প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘ ও নিখুঁত তদন্ত শেষে আদালতে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত ২৩ জন গ্রেপ্তার ছিলেন, পরে কয়েকজন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন। ৩৭ জনের মানি লন্ডারিংয়ের তদন্ত চলছে। তথ্যপ্রমাণ মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করা হবে।

আইনজীবী মো. রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি আবেদ আলী, সিয়ামসহ পাঁচজনের পক্ষে লড়ছি। ৫৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট হলেও অনেকেই ইতিমধ্যে জামিন পেয়েছেন। আসামিদের অনেকে সাধারণ যোগাযোগের কারণে ফেঁসে গেছেন। মিডিয়া ট্রায়ালের কারণে অনেকের নাম অহেতুক জড়ানো হয়েছে।’

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস গোটা জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেয় এবং মেধাবীদের ধ্বংস করে। এ ধরনের জঘন্য অপরাধ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আসামিদের অনেকেই উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে লড়াই করবে।’