আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার সময়ে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির দাবি, বর্ধিত দাম বহাল থাকলে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়ার পাশাপাশি শিল্প উৎপাদনেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
আজ সোমবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম নিম্নমুখী। অন্যদিকে দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধ হয়ে বেকারত্ব বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জনজীবনে আরও চাপ তৈরি করবে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনটির ভাষ্য, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সাত মাসের মধ্যে দুই দফা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করেছে। এর ফলে যাতায়াত, যোগাযোগ, পণ্য ও যাত্রী পরিবহনসহ শিল্প উৎপাদনের ব্যয় বাড়বে। এতে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্যও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিবৃতিতে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য জরুরি ভিত্তিতে প্রত্যাহার করে আগের দাম বহাল রাখার দাবি জানানো হয়।
সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকার জনস্বার্থে কোনো কোনো খাতে ব্যবসা করবে এবং কোথাও ভর্তুকি দেবে, এটাই বাস্তবতা। দেশের চরম আর্থিক সংকটের সময়ে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে অর্থনীতি সচল রাখা এবং মূল্যস্ফীতি কমানোর মাধ্যমে সংকটাপন্ন মানুষের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব।