Image description

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৬৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৮০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের ৩ সেপ্টেম্বরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৭৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৮৮ জন।

১৫ মার্চ থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ১৪৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৫২৭ জন। হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৯ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪০৫ জন।

এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিশ্চিত হাম রোগে মারা গেছেন ৯৯ জন। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৮৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকায়, ৩৬৮ জন। চট্টগ্রামে ১৮২, সিলেটে ১৩৭, বরিশালে ১১৬, খুলনায় ৮৫, ময়মনসিংহে ৫২, রাজশাহীতে ১৬ ও রংপুরে আটজন শনাক্ত হয়েছেন।

এ সময়ে ঢাকায় দুজন ও সিলেটে একজন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। অন্য বিভাগে মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

১৫ মার্চ থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন, ৬৯ হাজার ৬৪১ জন। চট্টগ্রামে ৩১ হাজার ৫১৪, বরিশালে ১৭ হাজার ৫৯৫, সিলেটে ১১ হাজার ৫১৫, খুলনায় ১০ হাজার ৪৫৩, রাজশাহীতে ৯ হাজার ৮২২, ময়মনসিংহে ৭ হাজার ৭৪০ ও রংপুরে ২ হাজার ৮৬৮ জন শনাক্ত হয়েছেন।

হাম-রুবেলা টিকাদানে কভারেজ ১০৯.৪ শতাংশ

এদিকে জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে সারা দেশে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন। ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টিকা পেয়েছেন ১ কোটি ৯৭ লাখ ২ হাজার ৫২৩ জন। টিকাদানের কভারেজ দাঁড়িয়েছে ১০৯ দশমিক ৪ শতাংশ।

 

বিভাগগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহে কভারেজ সবচেয়ে বেশি, ১১৪ দশমিক ৮ শতাংশ। চট্টগ্রামে ১১২ দশমিক ৪, ঢাকায় ১১০, রংপুরে ১০৯ দশমিক ৬, রাজশাহীতে ১০৭ দশমিক ৭, খুলনায় ১০৪ দশমিক ৮, বরিশালে ১০৪ দশমিক ৪ ও সিলেটে ১০৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৫০ জন। এর বিপরীতে টিকা পেয়েছেন ২০ লাখ ৬৬ হাজার ১৮০ জন। কভারেজ হয়েছে ১০৮ দশমিক ৪ শতাংশ।