Image description

সিসিটিভিতে ট্রাকে মালপত্র তোলার সূত্র ধরে চাঁদপুরের ‘আত্মগোপনে’ থাকা ব্যবসায়ী পিন্টু দাস ও তার পরিবারকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ট্রাকের চালককে শনাক্তের পর তাদের খোঁজে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীটি। প্রায় এক সপ্তাহ নিখোঁজ ছিলেন এই ব্যবসায়ী।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এক সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান।

তিনি বলেন, পিন্টু দাস সম্পর্কিত নিখোঁজের একটি জিডি হয় থানায়। এ ছাড়া মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে বিষয়টি প্রচার হতে থাকে। যার ফলে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, যে পিন্টু দাস কোথায় গেল? বা কী হয়েছে? সেই জিডিমূলে আমরা তাদের খোঁজে অভিযান শুরু করি।

‘আমরা প্রথমে অভিযানে নেমে তার বাসায় প্রবেশ করি। সেখানে বাসার কোনো মালপত্র দেখা যায়নি। আমরা একটি সিসিটিভির ফুটেজে দেখতে পাই, কয়েকজন শ্রমিক তার সব মালপত্র তুলছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি।’

লুৎফর রহমান বলেন, প্রথমে আমরা কুমিল্লায় পিন্টু দাসের শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালাই; কিন্তু সেখানে তিনি যাননি। তারপর পিন্টু দাসের এক ভাই রাঙামাটিতে রিপ্রেজেন্টিটিভের জব করত। সেখানেও অভিযান চালাই। সেখানেও তিনি যাননি। এ ছাড়াও তার বন্ধুবান্ধবসহ সম্ভাব্য যাওয়ার সব স্থানে যোগাযোগ করলেও কোথায় যাননি বলে জানা যায়।0

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘এরপর মালপত্র নেওয়া ট্রাক ড্রাইভারকে শনাক্ত করতে সক্ষম হই। তার দেওয়া তথ্যমতে, আমরা ভোরে তাকে চট্টগ্রামের পটিয়া তার গ্রামের বাড়ি থেকে জিডিমূলে উদ্ধার করতে সক্ষম হই। এখন তার আত্মগোপনে যাওয়ার কারণ কী এবং তার বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সে বিষয়টিও আমরা খতিয়ে দেখছি।’

এর আগে পিন্টু দাসকে কোথাও না পেয়ে ২২ আগস্ট চাঁদপুর সদর মডেল থানায় তার নিখোঁজের বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করেন বাড়ির মালিকের ছোট ছেলে রাসেল খান। জিডির নম্বর ১৩৯৬।

এদিকে পিন্টু দাসকে আটক করা হয়নি জানিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর বলেন, ‘আটক বা গ্রেপ্তার নয়; বরং পিন্টু দাসকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।’

কালবেলা