ভোলার গ্যাস দিয়ে সেখানে ২২৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাবের মধ্যেই বেসরকারি খাতে বহুল বিতর্কিত ‘কুইক রেন্টাল’-এর মতো তিন-চার বছর মেয়াদি ১০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
কেন্দ্রটি নির্মাণের জন্য সরকারের নির্দেশে সম্প্রতি পিডিবি দরপত্র আহ্বান করেছে, যার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৪ অক্টোবর। এই কেন্দ্র থেকে নির্ধারিত দরে মার্কিন ডলারে বিদ্যুৎ কিনবে পিডিবি। ফলে ডলারের দাম বাড়লে বিদ্যুতের দামও বাড়বে।
শুরুতে কেন্দ্রটির মেয়াদ তিন বছর রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজনে পরে আরও এক বছর মেয়াদ বাড়বে। এত স্বল্পসময়ের জন্য তুলনামূলক ছোট এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলছেন, এতে বিদ্যুতের দাম বেশি পড়বে। সংকটও বাড়বে।
এদিকে, ১০০ মেগাওয়াটের ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সিম্পল সাইকেল হওয়ায় এর জ্বালানি দক্ষতা কম। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে তুলনামূলক বেশি গ্যাস লাগবে। অন্যদিকে, পিডিবির প্রস্তাবিত বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কম্বাইন্ড সাইকেল, যার দক্ষতা অনেক বেশি।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের নামে একের পর এক রেন্টাল (ভাড়াভিত্তিক), কুইক রেন্টাল (দ্রুত ভাড়াভিত্তিক) বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন দেয়। বেসরকারি খাতে নির্মিত এসব কেন্দ্রের মেয়াদ শুরুতে তিন ও পাঁচ বছর থাকলেও পরে দফায় দফায় বাড়ানো হয়।
প্রতিযোগিতা ছাড়াই বিশেষ ক্ষমতা আইনে অনুমোদন পাওয়া এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মাত্রাতিরিক্ত দামে বিদ্যুৎ কেনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন না করলেও চুক্তি অনুযায়ী গুনতে হয়েছে বিপুল পরিমাণ ক্যাপাসিটি চার্জ। এতে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়লেও চাহিদার অতিরিক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং অযাচিত ব্যয়ের খড়্গ নেমেছে। যার প্রভাবে পিডিবির লোকসান ও সরকারের ভর্তুকি বেড়েছে। এই চাপ সামলাতে গ্রাহক পর্যায়ে দফায় দফায় বেড়েছে বিদ্যুতের দাম।
জানতে চাইলে পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, ভোলায় পিডিবির ২২৫ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করতে তিন-চার বছর সময় লাগবে। যেহেতু সেখানে অব্যহৃত গ্যাস রয়েছে, তাই এই সময় পর্যন্ত স্বল্পসময়ের জন্য একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
পিডিবির চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘এটি আগের মতো রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট হবে না। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে করা হবে। আমরা কারও কাছে জিম্মি হব না। সবকিছু হবে প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে। অনেক প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখিয়েছে। যাচাই-বাছাই করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
পিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, দরপত্র প্রক্রিয়া ও মূল্যায়ন করতে ছয়-সাত মাস সময় লাগবে। এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে সময় দেওয়া হবে আরও অন্তত ছয় মাস। সবকিছু ঠিক থাকলে এখান থেকে বিদ্যুৎ পেতে সময় লাগবে প্রায় দেড় বছর।
কেন্দ্রটি স্কিড-মাউন্টেড মডুলারভিত্তিক হবে। এটি এমন এক প্রযুক্তি, যেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের টারবাইন/জেনারেটর ও এর সহায়ক যন্ত্রপাতি কারখানায় আগে থেকে একত্রিত ও পরীক্ষিত করে বড় বড় ‘স্কিড’ বা মডিউল আকারে সাইটে পাঠানো হয়। সাইটে শুধু ফাউন্ডেশন তৈরি, মডিউল বসানো ও আন্তঃসংযোগের কাজ করতে হয়। এ কারণেই এটি প্রচলিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের চেয়ে অনেক দ্রুত বসানো যায়।
জরুরি ও দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বিশ্বব্যাপী এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র ৩০০-এর বেশি ইউনিট ব্যবহার হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে ২৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র দুই মাসে চালুর নজির রয়েছে। চীনের সিচুয়ানে এলএনজিভিত্তিক স্কিড-মাউন্টেড প্ল্যান্ট মডিউল ডেলিভারির ছয় মাসের কম সময়ে চালু হয়েছে।
এ বিষয়ে পিডিবির চেয়ারম্যান বললেন, ভোলা একটি দ্বীপ এলাকা এবং যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় সময় কিছুটা বেশি ধরা হয়েছে।
পিডিবির আইপিপি সেল-২-এর কর্মকর্তারা বলছেন, কেন্দ্রটির চুক্তি হবে আইপিপি (ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার) মডেলে। এখান থেকে যতটুকু বিদ্যুৎ নেওয়া হবে ঠিক ততটুকুরই দাম দেওয়া হবে। উৎপাদন না করলে অতিরিক্ত ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া লাগবে না। আবার নির্ধারিত পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন না করলে কেন্দ্রের মালিককে জরিমানা গুনতে হবে।
যদিও দেশে এখন পর্যন্ত এত স্বল্পমেয়াদি আইপিপি কেন্দ্র নেই। যেগুলো আছে সেগুলোর মেয়াদ সাধারণত ১৫ বছর বা তারও বেশি। স্বল্পমেয়াদি এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট হিসেবেই পরিচিত।
তবে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে কেন্দ্রের মালিক বাড়তি ব্যয় ধরেই সাধারণত দর নির্ধারণ করে থাকেন। কারণ, তিন বছরের মধ্যে তিনি তার বিনিয়োগ ও মুনাফা উঠিয়ে নেবেন। আবার সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র বসিয়ে রেখে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানোরও নজির রয়েছে অতীতে।
পিডিবির চেয়ারম্যানের ভাষ্য, স্বল্পমেয়াদি এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র বিভিন্ন দেশে জরুরি প্রয়োজনে নির্মাণ করা হয়। চীনে বেইজিং অলিম্পিয়াডের সময় ১০০ মেগাওয়াটের একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হয়েছিল এক বছরের জন্য। তবে এক বছরের চেয়ে তিন বছর ‘কনভিনেন্টে’ টাইম। মেয়াদ শেষ হলে তারা এগুলো খুলে নিয়ে চলে যাবে।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম তামিম আগামীর সময়কে বললেন, এটা অনেকটা রেন্টালের মতো। আকারেও তুলনামূলক অনেক ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্র। আবার সময়সীমাও অনেক কম। এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্রের যৌক্তিকতা কী, সেটা বোঝার বিষয়।
‘এখানে বিনিয়োগকারী তিন বছরের মধ্যে তার বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার পাশাপাশি মুনাফা করবেন। এতে বিদ্যুতের দাম অনেক বেশি হবে’— যোগ করেন এই জ্বালানি বিশেষজ্ঞ।
তবে পিডিবির চেয়ারম্যানের বক্তব্য হলো— এই কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম বেশি পড়বে না।
ম. তামিমের মতে, ভোলায় ১ থেকে ২ টিসিএফ গ্যাসের মজুদ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই গ্যাস পাইপলাইনে আনা সবচেয়ে ভালো। সেজন্য প্রায় তিন বছর সময় লাগবে। দ্বিতীয় উপায় হলো— সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র সরকারি কিংবা বেসরকারি উদ্যোগে হতে পারে। সরকারি হলেই যে দাম কম পড়বে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ সরকারের অনেক ‘হিডেন’ ব্যয় রয়েছে। আবার বেসরকারি খাতে দিলেই বিপজ্জনক, সেটিও ভাবা ঠিক না। কারণ এক্ষেত্রে হরিপুর ও মেঘনাঘাট ভালো উদাহরণ। এখানে চুক্তির শর্তগুলো কী হবে, সেটাই দেখার বিষয়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঘোড়াশালে ১০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করে ১৪৫ মেগাওয়াটের একটি কুইক রেন্টার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে এগ্রিকো ইন্টারন্যাশনাল। শুরুতে তিন বছরের চুক্তি হলেও পরে কয়েক দফা মেয়াদ বাড়িয়ে সাত বছর করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি এই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানির দাম বাদে শুধু ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদই নিয়েছে ২১ কোটি ১৪ লাখ ১০ হাজার ডলার। এমন ভয়াবহ উদাহরণ আছে আরও।
ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস নিয়ে পরিকল্পনা: ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১৯৯৫ সালে শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় ২০০৯ সালে। একই সংস্থা ২০১৮ সালে আবিষ্কার করে দ্বিতীয় গ্যাসক্ষেত্র ভোলা নর্থ। ২০২৩ সালে আবিষ্কার হয় ইলিশা গ্যাসক্ষেত্র। এ দুটি গ্যাসক্ষেত্র থেকে এখনো উৎপাদন শুরু হয়নি।
শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র থেকে দিনে ১৫ কোটি ঘনফুট উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও ব্যবহৃত হচ্ছে সর্বোচ্চ সাড়ে ৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস।
দ্বীপ জেলাটিতে প্রায় ২ টিসিএফ (ট্রিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাসের মজুদ থাকার আভাস মিলেছে। কিন্তু মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় পাইপলাইনের অভাবে সেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে আনা যায়নি।
বর্তমানে ভোলায় তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র, দুটি ক্যাপটিভ (শিল্পে উৎপাদিত নিজস্ব বিদ্যুৎ), শিল্পকারখানা ও আড়াই হাজার বাসায় গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। নতুন করে সেখানে শিল্পকারখানা হয়নি। ফলে ভয়াবহ এই সংকটের সময়েও অব্যবহৃত রয়েছে ভোলার গ্যাস।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সিএনজি আকারে ভোলার গ্যাস সরবরাহের কাজ পায় সিএনজি খাতের কোম্পানি ইন্ট্রাকো। প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ পরিবহনে সিলিন্ডারে ভরে বিভিন্ন কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। কিন্তু পরিমাণে খুবই কম। আবার দামও তুলনামূলক বেশি।
এর আগে ২০২৩ সালে ভোলা থেকে বরিশাল তথা দেশের মূল ভূখণ্ডে গ্যাস আনতে আনুমানিক ১,৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৫ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপনের প্রস্তাব দেয় রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড। পরে তা আর আলোর মুখ দেখেনি।
সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি: অন্তবর্তীকালীন সরকার ভোলা থেকে দৈনিক ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এলএনজি আকারে আনতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে প্রস্তাব দেয়।
সেই গণশুনানিতে পাল্টা প্রস্তাব তুলে ধরে পিডিবির অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ পরিদপ্তর) সৈয়দ জুলফিকার আলী বলেছেন, প্রস্তাবিত প্রতি ঘনমিটার এলএনজির পরিবহন খরচ ২৯ দশমিক ৯০ টাকা হিসাবে ৩০ মিলিয়ন এলএনজি পরিবহনে বছরে খরচ হবে ৯৩০ কোটি টাকা।
অন্যদিকে, ১ ঘনমিটার গ্যাস দিয়ে ৪-৫ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। সেই বিদ্যুৎ ঢাকায় আনতে খরচ পড়বে ১ দশমিক ২৪ টাকা। বিদ্যমান লাইন দিয়েই তা সঞ্চালন করা সম্ভব। ফলে সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা লাভজনক হবে। ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে গ্যাস ব্যবহার হবে, জরুরি প্রয়োজনে সেই পরিমাণ গ্যাস অন্য বিদ্যুৎকেন্দ্রে কমিয়ে দিলে গ্যাস সংকট কমবে। এমন প্রস্তাবের পরই সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে জোর দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি, ইজিসিবিসহ ৪টি প্রতিষ্ঠান সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র করার প্রস্তাব দিলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয় পিডিবি সেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র করবে।
পিডিবি সূত্রমতে, অর্থায়ন অনুসন্ধান ও পিডিপিপি অনুমোদনের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের মাধ্যমে পরিকল্পনা কমিশনে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সেটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম আগামীর সময়কে বলছিলেন, আগের সরকার এ ধরনের কবিরা গুনাহ করে যে সর্বনাশ ডেকে এনেছে, বর্তমান সরকারকে কেন তার পুনরাবৃত্তি করতে হবে? সরকারের যে চরিত্র, তাতে তো এটা কল্পনাও করা যায় না।
‘বিদ্যুতের উচ্চমূল্যের কারণে কাঠামোগত ক্রাইসিসে পরিণত হয়েছে। সেই সংকট কাটানোর বহু উপায় আছে। সরকার যদি এ খাতে অপ্রয়োজনীয় ও লুণ্ঠনমূলক ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেয়, তাতে ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব, যা দিয়ে জ্বালানি সংকট কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুতের ব্যয় কমবে। এমন আরও যেসব উপায় আছে সেসব পথে না গিয়ে এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র করে সমস্যা সমাধান হবে না। উল্টো সংকট আরও বাড়বে’— যোগ করেন এই জ্বালানি বিশেষজ্ঞ।