খবর বেড় হয়েছে যে নিজে গুম হওয়া সালাউদ্দিন সাহেব এবং দীর্ঘদিন দেশি বিদেশি মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে কাজ করা, এমনকি ইউনূসের সময় আইন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা বর্তমান আইন মন্ত্রী ----- এই দুজন এই খসরা রচনা করেছেন।
এবং এই কারণে বিএনপির বাকি মন্ত্রীরা এই খসড়া মন্ত্রী সভায় পাশ করিয়েছেন, কারণ উপরোক্ত দুইজন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে এই ইস্যুতে তাদের বিশ্বাস করতে হয়েছে।
কিভাবে কি হয়েছে জানি না, কিন্তু যেই খসরা পাশ হয়েছে এইটা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্যে এবং রাজনৈতিক ভাবে তারেক রহমানের সরকারের জন্যে একটা ল্যান্ড মাইন।
এই খসড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে আগের মানবাধিকার আইনের থেকে দূর্বল যেটা হাসিনা বানিয়েছিল।
এই আইন যদি সত্যি পাশ হয়, তাহলে বিশ্বের বিভিন্ন সংগঠন বাংলাদেশের মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট রেটিং কমিয়ে দিতে পারে। সেটা বর্তমান সরকারের জন্যে বেইজ্জতি হবে।
আমি মনে করি এই খসড়া আইন অবশ্যই পরিবর্তন হতে হবে, কিছু কিছু জায়গায় কিছু প্র্যাকটিকাল একমোডেশন আনতেই হবে।
সমস্যা হয়ে গেছে যে বাংলাদেশে এন্টি আওয়ামী সিভিল সোসাইটি যেইটা এখন আছে, তাদের বেশির ভাগ মানুষ বিএনপির কাজের সমালোচনা করা কমিয়ে দিয়েছেন।
একারণে এই মানবাধিকার ইস্যুতে বেশি প্রতিবাদ হচ্ছে না।
যেহুতু মন্ত্রী সভায় এই আইন অলরেডি পাশ হয়ে গেছে, এটা এখন খোদ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া আবার মন্ত্রী সভায় ফেরত যাবে না। এভাবে অল্প বিতর্ক করেই এইটা সংসদে পাশ হয়ে গেলে বিপদ।
প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ এক্ষেত্রে খুবই জরুরী। এই আইন অবশ্যই কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তনের জন্য মন্ত্রী সভায় আবার ফেরত পাঠাতেই হবে।