জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একটি অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর ১২টায় উপাচার্যের ভবনের সামনে এ অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় জকসুর নেতৃবৃন্দ জকসু ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য নিন্দা জানান।
এ সম্পর্কে জকসু শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য যে দাবি আদায়ের জন্য যে আন্দোলন হয়েছিল সেখানে যে হামলা হয়েছিল, ন্যাক্কারজনক হামলা তার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং আগের দিনে যে সংঘটিত ন্যাক্কারজনক ঘটনা হসপিটালে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যে নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য স্যারের কাছে আমাদের স্মারকলিপি এবং আমাদের সকল দাবি উপস্থাপন করেছি।
জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, জকসুর পক্ষ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেওয়া, যেটি নির্বাচনের আগে থেকে আমাদের শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিশ্রুতি ছিল যে, আমরা নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য একটা অ্যাম্বুলেন্স ম্যানেজ করে দেব। এটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে হস্তান্তর করা। আমরা আপনাদের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, প্রক্টর, পরিবহন প্রশাসক এবং ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক স্যারের হাতে আমরা এটা হস্তান্তর করছি।
তিনি আরও বলেন, হামলায় ৭০ জনের বেশি শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরে হামলার বিচার ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হামলায় জড়িত বহিরাগত, অছাত্র ও শিক্ষার্থীদের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে জকসু।
তিনি আরও জকসুর পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানান, দাবিগুলো হলো- ‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর’, ‘বরাদ্দকৃত ২০ কোটি টাকা দিয়ে ১,৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য চলতি বছর অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ’, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে একজন ডাক্তার ও একজন টেকনিশিয়ান নিয়োগ’।