Image description

ঢাকার নবাবগঞ্জে ২৪ বছর আগে সংঘটিত এক তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ দণ্ডিতদের সম্পত্তি বিক্রি করে আদায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী বা তার পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সুজন, জুলহাস ও মাহাম্মদ। আদালত তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

 

রায়ে আদালত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন, দণ্ডিতদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ আদায় করে তা ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।

রায় ঘোষণার সময় আসামি সুজন ও মাহাম্মদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্য আসামি জুলহাস পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেছেন আদালত।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০২ সালের ২২ মার্চ রাতে নবাবগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী নবাবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

 

 

তদন্ত শেষে একই বছরের ১৮ জুলাই নবাবগঞ্জ থানা-পুলিশ তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরবর্তী সময়ে আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করে। এসব সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।