Image description

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, জুলাই চেতনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এ বিষয়ে আপনাদের আমি আশ্বস্ত করছি, ইনশা আল্লাহ।

 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

 

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, সংসদে বিরোধী দল যেভাবে সহযোগিতার ভূমিকা পালন করছে, সংসদের বাইরেও তাদের কাছ থেকে একই ধরনের ইতিবাচক সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।

 

তিনি বলেন, বিরোধী দলের বক্তব্য যেন মানুষের মধ্যে কোনো বিভ্রান্তি তৈরি না করে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠনের কাজে আমরা সক্রিয় থাকব। দেশের মানুষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সচেতন ও সম্পৃক্ত রাখার চেষ্টা করব।

 

তিনি আরও বলেন, জুলাই শহীদ দিবসের চেতনা এবং আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, মারুফসহ দুই হাজার শহীদের আত্মত্যাগের আদর্শকে ধারণ করে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদ কার্যকরের মাধ্যমে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব।

 

আযম খান বলেন, জুলাই চেতনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশা আল্লাহ। মনে রাখতে হবে, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত। দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র পাঁচ মাস পার হয়েছে। এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

 

তিনি বলেন, তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করছেন। জিয়াউর রহমান যেমন সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে কাজ করেছেন, তেমনি তারেক রহমানও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।

 

রংপুরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, রংপুর আর পিছিয়ে থাকবে না। এ অঞ্চলে শিল্প-কারখানা গড়ে তোলা হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সরকার ইতোমধ্যে এ বিষয়ে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। ধীরে ধীরে রংপুর একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত হবে।

 

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে অবগত আছেন। শহীদ আবু সাঈদের নামে হল, গেটসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

 

তিনি আরও বলেন, শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন রংপুরে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।