অর্থপাচার মামলায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তাকে কারাগারে আটক আবেদনে সিআইডি জানান, জিজ্ঞাসাবাদে মানিলন্ডারিং মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর কে এম রাকিবুল হুদা তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার বিষয়ে তার ব্যাংক হিসাব/এমএফএস হিসাবগুলোতে কারা/কী কারণে অর্থ দিয়েছে এবং জমাকৃত অর্থ কার নিকট হস্তান্তর/কোথায় কিভাবে ব্যয় করা হয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে মামলার তদন্তে ব্যঘাত ঘটবে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর আলোচিত শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা।
অনুসন্ধানের অভিযোগ পর্যালোচনায় জানা যায়, হরিদাস চন্দ্র তরণী একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। তিনি ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারসহ হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
তার নামে থাকা ৯ ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য কাগপপত্র বিশ্লেষণে জানা যায়, তার ব্যাংক হিসাবে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ব্যবসার বাইরে নগদ অর্থ জমা হয়েছে। তিনিসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার করতেন।