জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বলগাছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বিএম কলেজে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিধি বহির্ভূতভাবে শিক্ষাগত যোগ্যতা-অভিজ্ঞতার শর্ত কমানো, বয়স, নিয়োগ বোর্ড গঠন এবং বেতন স্কেল সংক্রান্ত নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিধদপ্তরের (ডিআইএ) প্রতিবেদনে। এতে মোট ৩০ জনের নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ তালিকায় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষও রয়েছেন। এসব অনিয়মের ফলে সরকারের প্রায় ১১ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এ অর্থ আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমার সুপারিশ করেছে ডিআইএ।
জানা গেছে, বলগাছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বিএম কলেজে মোট শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে ৫৮ জন। এর মধ্যে মাধ্যমিকে ১৮ জন, ভোকেশনালে ১৩ জন এবং বিএম শাখায় ১১ জন, প্রদর্শক ২ এবং সহকারী গ্রন্থাগারিক ২ জনসহ মোট শিক্ষক রয়েছেন ৪৬ জন। তাদের মধ্যে ৩০ জনের নিয়োগের ক্ষেত্রেই অনিয়ম হয়েছে। অনিয়মের ফলে সরকারের ১০ কোটি ৭০ লাখ ২২ হাজার ১৯৫ টাকার গচ্চা গেছে। এই টাকা ফেরত নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশে করেছে ডিআইএ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিআইএ পরিচালক অধ্যাপক এম এম সহিদুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘পরিদর্শনে প্রাপ্ত অনিয়মের চিত্রগুলোর প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা মন্ত্রণালয় নেবে।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা হওয়া প্রতিবেদন বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ এ কে এম মোস্তফা কামাল বিদ্যালয় শাখার প্রধান শিক্ষক পদে ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি যোগদান করেন এবং ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (বিএম) শাখার অধ্যক্ষ পদে ২০০৩ সালের ৩০ যোগদান করেন। তার অধ্যক্ষ পদের নিয়োগ রেকর্ড যাচাইয়ে দেখা যায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় ৮ বছর। এস,আর,ও নং ৫৪-আইন/৯৬ মোতাবেক বিএম শাখার অধ্যক্ষের কাম্য অভিজ্ঞতা প্রভাষক পদে ১০ বছর। নীতিমালা বহির্ভুতভাবে বিজ্ঞপ্তিতে অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় ৮ বছর।
শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে ৫৮ জন। এর মধ্যে মাধ্যমিকে ১৮ জন, ভোকেশনালে ১৩ জন এবং বিএম শাখায় ১১ জন, প্রদর্শক ২ এবং সহকারী গ্রন্থাগারিক ২ জনসহ মোট শিক্ষক রয়েছেন ৪৬ জন। তাদের মধ্যে ৩০ জনের নিয়োগের ক্ষেত্রেই অনিয়ম হয়েছে। অনিয়মের ফলে সরকারের ১০ কোটি ৭০ লাখ ২২ হাজার ১৯৫ টাকার গচ্চা গেছে। এই টাকা ফেরত নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশে করেছে ডিআইএ।
শুধু তাই নয়, এ কে এম মোস্তফা কামাল বিদ্যালয় শাখার প্রধান শিক্ষক পদে ১৯৯৭ সালের পহেলা জানুয়ারি প্রথম এমপিওভুক্ত হয়। অর্থাৎ তার ১০ বছর পূর্ণ হয় ২০০৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর। ফলে আবেদনকালে তার অভিজ্ঞতা ছিল ৭ বছর ৬ বছর ৪ মাস ২০ দিন। নীতিমালা মোতাবেক তার কাম্য অভিজ্ঞতা না থাকায় তার নিয়োগ বিধি সম্মত হয় নি। ফলে এই সময় বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া ৬৪ লাখ ৯০ হাজার ৪০৮ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির কম্পিউটারের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আনিছুর রহমান ২০০২ যোগদান করেন। তার নিয়োগ পরীক্ষার টেবুলেশনসীটে দেখা যায় মহাপরিচালক এর প্রতিনিধি হিসেবে মেলান্দহ সরকারি কলেজের একজন প্রভাষকের সীল ও অনুস্বাক্ষর রয়েছে। কিন্তু মেলান্দহ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের মনোনয়ন সংক্রান্ত অফিসিয়াল কোন মনোনয়নপত্র নেই।
মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হিসেবে মেলান্দহ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক কোন শিক্ষককে মনোনয়ন না দেওয়ায় তার নিয়োগ বিধি সম্মত হয়নি। কাজেই তিনি সরকারি বেতন ভাতা পাবেন না এবং ২০০৪ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত গৃহীত ৫৪ লাখ ২৬ হাজার ৪৫৮ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতযোগ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাচিবিকবিদ্যার সহকারী অধ্যাপক মো. মনজুর কাদের নিয়োগ পরীক্ষার টেবুলেশনসীটেও ডিজির প্রতিনিধি মনোনয়নের ক্ষেত্রে একই ধরনের অনিয়মের বিষয়টি সামনে এসেছে। এছাড়া তিনি নট্রামস থেকে ৬ মাসের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। নীতিমালা মোতাবেক তার সাচিবিক বিদ্যা বিষয়ের কোন প্রশিক্ষণ সনদ নেই বিধায় তার আবেদনপত্র বাতিলযোগ্য ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু তার আবেদনপত্র বাতিল না করে তাকে নিয়োগ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নিয়োগ বিধি সম্মত না হওয়ায় বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া ৫৪ লাখ ২৬ হাজার ৪৫৮ টাকা ফেরতের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রভাষক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিকম (পাস) ৩য় শ্রেণি এবং এমকম ২য় শ্রেণি। নীতিমালা অনুযায়ী বিএম শাখার প্রভাষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ১ম শ্রেণির মাষ্টার্স ডিগ্রিসহ অন্যান্য পরীক্ষায় ন্যূনতম ২য় শ্রেণি/বিভাগ অথবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ২য় শ্রেণির অনার্স এবং ২য় শ্রেণির মাষ্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। নীতিমালা অনুযায়ী মাষ্টার্স ১ম শ্রেণি না থাকায় তার আবেদনপত্র বাতিলযোগ্য হওয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। ফলে বেতন-ভাতা হিসেবে নেওয়া ৪৫ লাখ ২২ হাজার ৭২০ ফেরত দিতে হবে জানিয়েছে ডিআইএ।
‘পরিদর্শনে প্রাপ্ত অনিয়মের চিত্রগুলোর প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা মন্ত্রণালয় নেবে’ -অধ্যাপক এম এম সহিদুল ইসলাম, ডিআইএ পরিচালক
ব্যাংকিংয়ের প্রভাষক নাজমুল হাসানের নিয়োগ পরীক্ষার টেবুলেশনসীটে দেখা মেলান্দহ সরকারি কলেজের একজন প্রভাষকের সীল ও অনুস্বাক্ষর রয়েছে। কিন্তু মেলান্দহ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের মনোনয়ন সংক্রান্ত অফিসিয়াল কোন মনোনয়নপত্র নেই। এছাড়া তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনার্স হিসাব বিজ্ঞান এবং মাষ্টার্স হিসাব বিজ্ঞান। তার শিক্ষক নিবন্ধন হিসাববিজ্ঞান। এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকিং বিষয়ে তার অনার্স ও মাষ্টার্স এবং ব্যাংকিং বিষয়ে তার শিক্ষক নিবন্ধন সনদ না থাকায় তার আবেদনপত্র বাতিলযোগ্য ছিল। তবে সেটি না করে তাকে নিয়োগ দেওয়ায় সরকারের ২৮ লাখ ২৬ হাজার ৫৫০ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
উদ্যোক্তা উন্নয়নের প্রভাষক মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম ক্ষেত্রেও মেলান্দহ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের মনোনয়ন সংক্রান্ত অফিসিয়াল কোন মনোনয়নপত্র নেই। এছাড়া তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনার্স হিসাব বিজ্ঞান এবং মাষ্টার্স হিসাব বিজ্ঞান। তার শিক্ষক নিবন্ধন হিসাববিজ্ঞান। উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ের প্রভাষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্স এবং মাষ্টার্স। নীতিামালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার অনার্স ও মাষ্টার্স এবং শিক্ষক নিবন্ধন সনদ না থাকায় বেতন-ভাতা হিসেবে নেওয়া ২৮ লাখ ১৫ হাজার ১৭৫ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক মো. ফরিদুল ইসলাম, হিসাববিজ্ঞানের প্রভাষক মোস্তফা কামাল এবং কম্পিউটারের প্রভাষক শাহজাহান কবীরের নিয়োগের সময় তাদের বয়স নীতিমালায় নির্ধারিত ৩০ বছরের সীমা অতিক্রম করেছিল। তাদের প্রত্যেকের বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া যথাক্রমে ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৫০ টাকা, ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৫০ টাকা এবং ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। এছাড়া শাহজাহান কবীর দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত ডিগ্রির ভিত্তিতে এমপিও সুবিধা নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে তাকে আরও ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৬ টাকা ফেরত দিতে হবে।
ভোকেশনাল শাখার ট্রেড ইন্সট্রাক্টর ওমর ফারুক, রুমানা আক্তার ও আফরোজা আক্তারের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দুটি পত্রিকায় প্রকাশের পরিবর্তে একটি পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, শূন্য পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য কমপক্ষে দুটি জাতীয় বা স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও নিয়ম লঙ্ঘন করে সেটি করা হয়নি। ফলে তাদের নিয়োগ যথাযথ হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই তিন শিক্ষকের কাছ থেকে যথাক্রমে ৩৭ লাখ ৪ হাজার ৭৩০ টাকা, ৩৬ লাখ ৩৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার ৬৬ টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ট্রেড ইন্সট্রাক্টর রুবিনা ইয়াসমিন ও এস এম আবু হাশেমকে প্রয়োজনীয় ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বা ডিপ্লোমা ইন ভোকেশনাল এডুকেশন সনদ ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে যথাক্রমে ৩৫ লাখ ৩১ হাজার ৪০ টাকা এবং ৩৩ লাখ ৬৬ হাজার ৮৩৫ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভোকেশনাল শাখার সহকারী শিক্ষক আবদুল আলীম, ফাহমিদা আক্তার, হেদায়েত উল্লাহ, আখতার হোসেন ও প্রদর্শক ফয়জুর রহমানের ক্ষেত্রে নিয়োগের বয়সসীমা অতিক্রম করলেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী নিয়োগ না হওয়ায় বেতন-ভাতা হিসেবে নেওয়া ১৪ লাখ ৯৫ হাজার ২০০ টাকা থেকে ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৩০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
মাধ্যমিক শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক সামছুল আলমের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শুধু পুরুষ প্রার্থীদের আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল, যা জনবল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তার ক্ষেত্রে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩০ টাকা ফেরতযোগ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাধ্যমিক শাখার সহকারী শিক্ষক আলতাফুর রহমান, শেখ আবদুল্লাহ আল মতিন, আবু বকর ছিদ্দিক, রফিকুল ইসলাম, নয়া মিয়া ও রমজান আলীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জাতীয় দৈনিকের পরিবর্তে স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ, ‘নিয়োগ বৈধকরণ’ শর্ত এবং একক প্রার্থী থাকার মতো বিষয় ছিল। যা নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে তাদের প্রত্যেককে ৩৬ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দিতে হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সহকারী শিক্ষক (কৃষি শিক্ষা) তরিকুল ইসলামের নিয়োগের সময় তার প্রয়োজনীয় কৃষি ডিপ্লোমা সনদ ছিল না; পরে অর্জিত সনদের ভিত্তিতে তিনি চাকরি চালিয়ে যান। যা বিধি বহির্ভূত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে তার ক্ষেত্রে ৩৩ লাখ ৯৫ হাজার ১৬০ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এই টাকা ফেরত নিয়ে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণে সহকারী গ্রন্থাগারিক আব্দুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে লাইব্রেরি সায়েন্সে ডিপ্লোমা অর্জন না করেও এমপিও সুবিধা নিয়েছেন। ফলে তার ক্ষেত্রে ১৬ লাখ ৩ হাজার ৮১৮ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
বেতন স্কেল সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণে মাধ্যমিক শাখার শিক্ষক শিরিনা আক্তার ও জাকিয়া সুলতানা সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের পরিবর্তে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে বিএড ডিগ্রি নিয়ে উচ্চতর বেতন স্কেল গ্রহণ করেছেন। যা এমপিও নীতিমালা পরিপন্থি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রে ৪ লাখ ৪০ হাজার ২০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (নিরীক্ষা ও আইন) শামিম সুলতানা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিষয়টি এই মুহূর্তে আমার জানা নেই। প্রতিবেদনের একটি কপি দিলে বিষয়টি জেনে আপনাকে জানাতে পারব।’