Image description

গ্রামে-গঞ্জে বিদ্যুৎ এখন বড় ইস্যু। আমরা যখন গ্রামে যাই এই ইস্যু আমাদেরকে বিব্রত করে, অস্বস্তিতে ফেলে। বুধবার (৮ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এক সম্পূরক প্রশ্নকালে এ কথা বলেন। এ সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা মেলান্দ-মাদারগঞ্জ এই দুই উপজেলায় পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ৪৩ মেগাওয়াট, বর্তমানে প্রাপ্তি হচ্ছে ২৭ মেগাওয়াট। অফ-পিক আওয়ারে চাহিদা ৩৮ মেগাওয়াট, সেখানে সরবরাহ করা হচ্ছে ২৫ মেগাওয়াট। 

ফলে গড়ে ৩৪-৩৮ শতাংশ লোডশেডিং হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে কবে নাগাদ উত্তোরণ সম্ভবপর হবে এবং কবে নাগাদ আমরা আমাদের নির্বাচনী এলাকায় বিদ্যুতের গ্রাহকদের আশস্ত করতে পারবো, লোডশেডিংয়ের হাত থেকে পরিত্রাণ দিতে পারবো? 

 

জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ময়মনসিংহ এলাকায় ট্রান্সমিশন লাইনে সমস্যা রয়েছে। এজন্য আমরা ট্রান্সমিশন লাইনের প্রকল্প গ্রহণ করেছি। ট্রান্সমিশনের জন্য বড় বড় টাওয়ার করতে হয়। কিন্তু জমির মালিকরা মামলা করে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসে। 

এজন্য এতদিন ট্রান্সমিশন লাইন স্থাপন করা যায়নি। তিনি আরো বলেন, জয়দেবপুর-শম্ভুগঞ্জের লাইনের জন্য ভালুকায় এক জমির মালিকের মামলা অনেকদিন পরিচালনা করার পর সরকার বিজয়ী হয়েছে। কিন্তু তারপরও কাজ করতে পারছিনা। গতকাল ভালুকার এমপির সাথে বসেছি। আশা করি এমপির সহযোগিতায় আমরা আবার কাজ শুরু করতে পারবো। এ লাইন নির্মিত হলে আশা করি ওই এলাকার বিদ্যুৎ সংকট অনেকখানি কমে যাবে।