প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল আগামী ৯ জুলাই প্রকাশ করা হবে। ওইদিন প্রাথমিকে ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ গ্রেড’—এই দুই বিভাগে ফল প্রকাশ করা হবে।
আজ বুধবার এ-সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।
এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বাকি ২০ শতাংশ বেসরকারি বা কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ গ্রেড’—এই দুই বিভাগে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় পঞ্চম শ্রেণির মোট শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ অংশগ্রহণ করতে পারে।
সারা দেশে একযোগে এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের অন্য সব জেলায় গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আর পার্বত্য তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিশেষ সময়সূচিতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, ফল প্রকাশের পর অভিভাবকেরা অনলাইন ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে ফল দেখার সরকারি মাধ্যম হলো ‘আইপিইএমআইএস’ (IPEMIS) পোর্টাল।
ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডের সুবিধা
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘ট্যালেন্টপুল’ ও ‘সাধারণ গ্রেড’—এই দুই বিভাগে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে। ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থীকে মাসিক ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে। অন্যদিকে সাধারণ গ্রেডে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে মাসিক ২২৫ থেকে ২৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পরবর্তী তিন বছর এই আর্থিক সুবিধা পাবে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে বৃত্তির অর্থ দ্বিগুণ থেকে চার গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর একটি প্রস্তাব বর্তমানে সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।