Image description

সিলেটের সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ ভাইরাল হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে ফেসবুকের বিভিন্ন প্রোফাইল ও পেজ থেকে কল রেকর্ডটি ছাড়া হয়। এতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সাথে ডিসি মো. সারওয়ার আলমের কথা বলতে শোনা যায়।

ওই গণমাধ্যমকর্মী মাজারের টাকাগুলো কী করা হবে জানতে চাইলে ডিসি মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘এখানে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা ও একটি অলংকার পাওয়া গেছে আর প্রশাসনের ফান্ড থেকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছি।

এটা জেলাপ্রশাসক ও ওয়াক্‌ফ ইন্সপেক্টরের যৌথ অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম এখানে মাজার কমিটির একজনকে রাখার জন্য। কিন্তু সে সুযোগ হয়নি। ৩ জনের যৌথ অ্যাকাউন্ট চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও ওয়াক্‌ফ ইন্সপেক্টর যৌথ অ্যাকাউন্টে সোনালি ব্যাংকে রাখা হয়েছে।

খরচ কি হবে কি না হবে সেটা পরবর্তী প্রশাসক, নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রীরা আছেন তারা যেমন চায় পলিসি ঠিক করবেন।’

উল্লেখ্য, সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে মো. সারওয়ার আলম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনায় ছিলেন। সর্বশেষ সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ এবং শাহজালাল (রহ.) মাজারের ডেগ সিলগালা ও নতুন দানবাক্স স্থাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

গত ২১ জুন সিলেট শাহজালাল (র.) মাজারে নতুন দানবাক্স স্থাপন এবং মাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্ক ও আলোচনার মধ্যে মো. সারওয়ার আলমকে সিলেটের ডিসি পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই প্রত্যাহারের ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ তার পুনর্বহালের দাবি তোলে।