Image description

ভারি বৃষ্টি ও ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট সার্বক্ষণিক খুলে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

 

 

বিজ্ঞাপন

পাউবো সূত্র জানিয়েছে, আগামী দুই-তিন দিন এই অঞ্চলে ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকতে পারে। এতে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনিত হওযার আশঙ্কা রয়েছে।

 

সাবেক স্কুলশিক্ষক মহিরুদ্দিন বলেন, ভারত সরকার আমাদের সঙ্গে তামাশা শুরু করেছে। শুষ্ক মৌসুমে যখন পানির জন্য হাহাকার অবস্থা, তখন গেট বন্ধ করে দিয়ে আমাদের কষ্টে রাখে। আর বন্যা মৌসুমে যখন পানির প্রয়োজন নেই, তখন তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা গজলডোবা ব্যারাজের ৫৪টি গেট খুলে দিয়ে আমাদের ভাসিয়ে দেয়।

 

উত্তর গড্ডিমারী গ্রামের মোন্তাজ মিয়া বলেন, তিস্তা তীরবর্তী এলাকার রাস্তঘাট ডুবে গেছে। এভাবে পানি আসতে থাকলে যেকোনো সময় আরো ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, ‘ভারত থেকে আসা উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি মঙ্গলবার ভোর থেকে আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে তিস্তাপারের নিম্নাঞ্চলে দেখা দিয়েছে বন্যা। তাই এসব অঞ্চলের জনগণকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক পানি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’

 

তিস্তা ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবার বেলা ৩টায় তিস্তার পানি আরো বেড়ে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ ও রাস্তাগুলো পর্যবেক্ষণ করছি।