পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সম্ভাব্য ২৮ মে ঈদ ধরে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য আজ (বুধবার) থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে ২৩ মে’র ট্রেনযাত্রার টিকিট মিলবে অনলাইনে।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে। একই দিনে দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিটও অনলাইনে ছাড়া হবে।
রেলওয়ের ঈদকালীন বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাত্রার পাঁচ দিন আগে ধাপে ধাপে আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে। সে অনুযায়ী— ২৪ মে’র টিকিট মিলবে ১৪ মে, ২৫ মে’র টিকিট ১৫ মে, ২৬ মে’র টিকিট ১৬ মে ও ২৭ মে’র টিকিট ১৭ মে বিক্রি করা হবে।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রায় একজন যাত্রী একবারেই টিকিট কিনতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ চারটি টিকিট সংগ্রহের সুযোগ পাবেন। এসব অগ্রিম টিকিট ফেরতযোগ্য নয়।
এ ছাড়া যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ছাড়া) স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মের টিকিট বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে।
রেলের তথ্য অনুযায়ী, ঈদ উপলক্ষে এবার ১০টি বিশেষ যাত্রীবাহী ট্রেন চালানো হবে। এই ট্রেনগুলোর মধ্যে ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটে চলবে ‘তিস্তা স্পেশাল’ এবং চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটে চলবে ‘চাঁদপুর স্পেশাল’। এ দুটি ট্রেন ২৫ মে থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এবং ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে পরবর্তী তিন দিন চলাচল করবে।
এ ছাড়া ঈদের আগে ২৪ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত তিন দিন এবং ঈদের পর আরও তিন দিন জয়দেবপুর-পার্বতীপুর রুটে ‘পার্বতীপুর স্পেশাল’ চলবে। অন্য চারটি বিশেষ ট্রেন শুধু ঈদের দিন চলবে। এসব ট্রেন ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে শোলাকিয়ার ঈদগাহর উদ্দেশে যাত্রী পরিবহন করবে।
এর পাশাপাশি কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য থাকবে পশুবাহী দুটি বিশেষ ট্রেন (ক্যাটল স্পেশাল)। এই ক্যাটল ট্রেন দুটি ২২ ও ২৩ মে চলাচল করবে। ট্রেন দুটি দেওয়ানগঞ্জ বাজার ও ইসলামপুর বাজার থেকে ছেড়ে কমলাপুর, তেজগাঁও ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে আসবে।