Image description

যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামে পরকীয়ার জেরে ইকরামুল নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়। হত্যার পর নিহতের লাশ গোপনে বাড়ির জ্বালানি রাখার ঘরে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়। ৩৫ দিন পর লাশটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

নিহত ইকরামুল (২৫) বেনাপোল পোর্ট থানার দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত দম্পতিকে আটক করে।

আটককৃতরা হলেন- যশোরের শার্শা উপজেলার সেতাই গ্রামের ফজু মোড়লের মেয়ে মুন্নী আক্তার (২২) এবং একই উপজেলার বসতপুর গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে আল-ফরহাদ (৩৬)।

সূত্রে জানা যায়, বসতপুর গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে নিহত ইকরামুলের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে এলাকায় আলোচনা চলছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামীর মধ্যে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। ধারণা করা হচ্ছে, তারই জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, হত্যার পর অভিযুক্তরা নিজেদের বাড়ির জ্বালানি রাখার ঘরে গোপনে লাশ পুঁতে রাখেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা অভিযুক্ত বাড়ির আশপাশে ভিড় জমান।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারা সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে নির্দিষ্ট একটি স্থান চিহ্নিত করে মাটি খনন করা হলে সেখান থেকে ইকরামুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামীকে আটক করা হয়েছে।

শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানাহাজতে রাখা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।