Image description

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে কালবৈশাখী ঝড় চলছে। বিএনপি সরকারে এসে তারা সংস্কার বিরোধী অবস্থান নিয়েছে।

ওয়াসিম যেই জায়গায় রক্ত নিয়েছে আমরা ওয়াসিমের রক্তের এই শহরে আমরা দাঁড়িয়ে আছি। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়, ওয়াসিম, আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধরা যে কারণে রক্ত দিয়েছিল বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেই জায়গা থেকে তারা সরে আসছে।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি হলে এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রিয় চট্টগ্রামবাসী বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী আমাদের কাছে এসে দুঃখ প্রকাশ করে।

ভাই দলটার জন্য ১৭ বছর নিজের অর্থ দিয়ে শ্রম দিয়ে পরিশ্রম দিয়ে জেল খেটেছি দলটার জন্য। কিন্তু আজকে দুঃখ হয় ওই বিএনপি হচ্ছে হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছে আওয়ামী লীগের দ্বারা।
যার কারণে আজকে ইসহাক সরকার ভাই আমাদের সামনে।

 

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রত্যেকটা ঘরে ঘরে যেতে হবে। আপনাদেরকে মাথায় রাখতে হবে, নীরবে একটি বিপ্লব ঘটে যাচ্ছে। প্রত্যেকেই এনসিপিতে আসতে যাচ্ছে। বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী আমাদের এনসিপিতে যোগ দিতে দিচ্ছে। তারা হয়তো অনেকে লজ্জায় এখন বলতে পারে না। আপনারা তাদের কাছে যাবেন। প্রত্যেকটা কমিটির যারা নেতাকর্মী আছে তাদের কাছে আমাদের এনসির দাওয়াত পৌঁছে দিবেন। আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই যারা ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করেছে তারা বাংলাদেশ পন্থীদের বিরুদ্ধে চলে গিয়েছে। সংস্কারের, আমাদের শহীদদের আকাঙ্খার বিরুদ্ধে চলে গেছে। কিন্তু বিএনপির লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী এখনো পর্যন্ত আমাদের স্পিরিটের সাথে আছে।

প্রিয় চট্টগ্রামবাসী আপনারা প্রত্যেকেই প্রত্যেকটা রাজনৈতিক নেতাকর্মী প্রত্যেকটা মানুষের কাছে যাবেন। তাদেরকে সংগঠিত করবেন। তাদেরকে পুনর্গঠন করতে হবে। এই পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে আমাদের যে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ সেটি বির্নিমাণ করতে হবে। 

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, চট্টগ্রামের অসংখ্য নারী নেত্রী এই জুলাইয়ে রাস্তায় নেমে এসেছিল। কিন্তু এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। আমরা তাদেরকে পুনর্গঠন করতে পারি নাই। তাদেরকে আমরা একত্রিত করতে পারি নাই। সেজন্য অনেক নারী নেতৃত্ব তারা রাজনীতি থেকে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে। সেজন্য নারী নেতৃত্বের মধ্যে যারা আছেন আপনাদেরকে অনুরোধ করব চট্টগ্রামে যে নারী শক্তি রয়েছে, নারীদের মধ্যে যে নেতৃত্বের ক্ষমতা, দক্ষতা রয়েছে আপনারা প্রত্যেকটা নারীর কাছে যাবেন। তাদেরকে পুনর্গঠিত করে রিঅর্গানাইজ করবেন। আমাদের বৃহত্তের যে লক্ষ্য এই লক্ষ্য নারীদেরকে আপনারা অংশগ্রহণ করাবেন।

ঢাকায় যখন আন্দোলন বন্ধ হওয়ার উপক্রম তৈরি হয়েছিল, চট্টগ্রাম থেকে আবার আন্দোলন শুরু হয়ে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। আমরা বিশ্বাস করতে চাই চট্টগ্রামে এনসিপির যেই বসন্ত চট্টগ্রামে সম্প্রসারিত হয়েছে সেই বসন্ত সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি পথে প্রান্তরে প্রত্যেকটি জেলা উপজেলায় প্রত্যেকটি হাটে মাঠে ঘাটে পথে প্রান্তরে ছড়িয়ে যাবে।