Image description

রাজধানী ঢাকার মতো জেলা শহর লক্ষ্মীপুরেও পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন জ্বালানি তেলের পাম্পে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না প্রয়োজনীয় জ্বালানি। দু-একটি পাম্পে মিললেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন নেই। কোথাও সামান্য পরিমাণে সরবরাহ থাকলেও তা গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। তবে ডিজেল তুলনামূলকভাবে পাওয়া যাচ্ছে এবং পাম্পগুলোয় তা সীমিত আকারে বিতরণ করা হচ্ছে।

শহরের উত্তর স্টেশন (উত্তর তেমুহনী)-সংলগ্ন মেসার্স মোজাম্মেল হক ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। পাম্পের মেশিনে ঝুলছে ‘পেট্রোল নেই’ ও ‘অকটেন নেই’ লেখা সাইনবোর্ড। তবে এখানে সীমিত পরিসরে ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। কোনো গাড়িতে ১ হাজার টাকা, আবার কোনো গাড়িতে ২ হাজার টাকার ডিজেল দেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসগুলোকে তুলনামূলক বেশি পরিমাণ ডিজেল দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে শহরের রায়পুর-লক্ষ্মীপুর সড়কের মেসার্স ধরিত্রী ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল না থাকলেও সীমিত পরিমাণে অকটেন পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে গ্রাহকদের ২০০, ৩০০ বা ৫০০ টাকার অকটেন দেওয়া হচ্ছে। একইভাবে ৫০ লিটার ডিজেলের চাহিদা জানালেও সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৩০ লিটার।

শহরের মেসার্স ধরিত্রী ফিলিং স্টেশনে বাইকারদের পেট্রোল ও অকটেন সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর মিলছে তাদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি। 

তবে সেখানে বেশ কয়েকজনকে বোতলে করে তেল নিয়ে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্নও উঠেছে।

এ বিষয়ে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, অনেক বাইকার পথিমধ্যে তেল শেষ হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়ছেন। তাদের জরুরি প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করেই বোতলে করে সীমিত পরিমাণ তেল নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।